মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

নৌকা দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
নৌকা দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাছ ধরার নৌকা দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে ঠাকুর চাঁন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ঠাকুর চাঁন (২৫) মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি এ বজ্রপাতে আহত জনারদন চাঁনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, রাতে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাবা-ছেলে নদীর ধারে বেঁধে রাখা মাছ ধরার নৌকা দেখতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়। এদিকে রবিউল হোসেন নামের আরেক যুবক নিজের তরমুজ ক্ষেত পাহারারত অবস্থায় বজ্রপাতে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল করিম বলেন, বাবা ও ছেলেকে বজ্রপাতের পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা ছেলেকে মৃত অবস্থায় পাই। তারপর তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


নৌকা দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬

featured Image
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাছ ধরার নৌকা দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে ঠাকুর চাঁন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ঠাকুর চাঁন (২৫) মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি এ বজ্রপাতে আহত জনারদন চাঁনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, রাতে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাবা-ছেলে নদীর ধারে বেঁধে রাখা মাছ ধরার নৌকা দেখতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়। এদিকে রবিউল হোসেন নামের আরেক যুবক নিজের তরমুজ ক্ষেত পাহারারত অবস্থায় বজ্রপাতে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল করিম বলেন, বাবা ও ছেলেকে বজ্রপাতের পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা ছেলেকে মৃত অবস্থায় পাই। তারপর তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।

চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত