চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

নলতা ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, পুনঃতদন্ত দাবি ভুক্তভোগীর

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
নলতা ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, পুনঃতদন্ত দাবি ভুক্তভোগীর

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ও কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসরিন নাহারের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সিজার অপারেশনের পর রোগীর ক্ষতস্থানে ইনফেকশন দেখা দিলেও যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো অসৌজন্যমূলক আচরণ করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দেবহাটা উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ওমর ফারুকের স্ত্রী জাফরিন গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে উক্ত হাসপাতালে ডা. নাসরিন নাহারের তত্ত্বাবধানে সিজার অপারেশন করান। অপারেশনের কয়েকদিন পরই তার ক্ষতস্থানে ইনফেকশনসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়। এ অবস্থায় পুনরায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে আবার অপারেশনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

পরিবারের দাবি, দ্বিতীয়বার অপারেশনের পরও একই সমস্যা দেখা দেয়। পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

ভুক্তভোগীর স্বামী ওমর ফারুক বলেন, “আমার স্ত্রীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে বাধ্য হয়ে সাতক্ষীরা সদরের বুশরা হাসপাতালে চিকিৎসক ডা. শরিফুল ইসলামের কাছে নিয়ে যাই। সেখানে পুনরায় অপারেশনের পর বর্তমানে আমার স্ত্রী অনেকটাই সুস্থ আছে। কিন্তু এ কারণে আমি আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনার বিচার চেয়ে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দিয়েছেন। ফলে তিনি পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে নলতা ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা. নাসরিন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


নলতা ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, পুনঃতদন্ত দাবি ভুক্তভোগীর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ও কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসরিন নাহারের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সিজার অপারেশনের পর রোগীর ক্ষতস্থানে ইনফেকশন দেখা দিলেও যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো অসৌজন্যমূলক আচরণ করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দেবহাটা উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ওমর ফারুকের স্ত্রী জাফরিন গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে উক্ত হাসপাতালে ডা. নাসরিন নাহারের তত্ত্বাবধানে সিজার অপারেশন করান। অপারেশনের কয়েকদিন পরই তার ক্ষতস্থানে ইনফেকশনসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়। এ অবস্থায় পুনরায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে আবার অপারেশনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

পরিবারের দাবি, দ্বিতীয়বার অপারেশনের পরও একই সমস্যা দেখা দেয়। পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

ভুক্তভোগীর স্বামী ওমর ফারুক বলেন, “আমার স্ত্রীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে বাধ্য হয়ে সাতক্ষীরা সদরের বুশরা হাসপাতালে চিকিৎসক ডা. শরিফুল ইসলামের কাছে নিয়ে যাই। সেখানে পুনরায় অপারেশনের পর বর্তমানে আমার স্ত্রী অনেকটাই সুস্থ আছে। কিন্তু এ কারণে আমি আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনার বিচার চেয়ে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দিয়েছেন। ফলে তিনি পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে নলতা ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা. নাসরিন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত