পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগের ব্যতিক্রমী ঘোষণা দিয়েছেন। পরে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের কথা জানান।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি উঠানে এক কলস দুধ দিয়ে গোসল করে প্রকাশ্যে দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন তিনি। এ সময় দাড়ি-পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় জালাল হাওলাদারের সঙ্গে আরও কয়েকজন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী দল ত্যাগের ঘোষণা দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন—বগা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফ, কলেজ ছাত্রদল নেতা রাকিব খান, সাবেক যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম, ওয়ার্ড যুবদল নেতা নিজাম মৃধাসহ কয়েকজন সমর্থক। পরে তারা বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ড. মাসুদের উঠান বৈঠকে যোগ দেন।
জালাল হাওলাদার বলেন, “নিজের ইচ্ছা থেকেই আমি দল ত্যাগ করেছি। এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই।” তবে তিনি দাবি করেন, দলের ভাবমূর্তি দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, “ড. মাসুদ দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেন। তাকে পছন্দ করি। এখন থেকে তার সঙ্গেই রাজনীতি করবো।”
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন, “জামায়াতের কিছু গুপ্ত কর্মী দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দলে সুকৌশলে কাজ করেছে এমন তথ্য আমরা পেয়েছি। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে এ ধরনের ঘটনা একটি দীর্ঘমেয়াদি গুপ্ত রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। দলীয় প্রার্থীকে আলোচনায় রাখতেই এমন কৌশল নেওয়া হচ্ছে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগের ব্যতিক্রমী ঘোষণা দিয়েছেন। পরে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের কথা জানান।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি উঠানে এক কলস দুধ দিয়ে গোসল করে প্রকাশ্যে দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন তিনি। এ সময় দাড়ি-পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় জালাল হাওলাদারের সঙ্গে আরও কয়েকজন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী দল ত্যাগের ঘোষণা দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন—বগা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফ, কলেজ ছাত্রদল নেতা রাকিব খান, সাবেক যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম, ওয়ার্ড যুবদল নেতা নিজাম মৃধাসহ কয়েকজন সমর্থক। পরে তারা বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ড. মাসুদের উঠান বৈঠকে যোগ দেন।
জালাল হাওলাদার বলেন, “নিজের ইচ্ছা থেকেই আমি দল ত্যাগ করেছি। এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই।” তবে তিনি দাবি করেন, দলের ভাবমূর্তি দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, “ড. মাসুদ দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেন। তাকে পছন্দ করি। এখন থেকে তার সঙ্গেই রাজনীতি করবো।”
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন, “জামায়াতের কিছু গুপ্ত কর্মী দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দলে সুকৌশলে কাজ করেছে এমন তথ্য আমরা পেয়েছি। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে এ ধরনের ঘটনা একটি দীর্ঘমেয়াদি গুপ্ত রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। দলীয় প্রার্থীকে আলোচনায় রাখতেই এমন কৌশল নেওয়া হচ্ছে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
