চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ডুমুরিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবির হত্যার এক বছর: পরিকল্পনাকারী ধরা পড়েনি

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ডুমুরিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবির হত্যার এক বছর: পরিকল্পনাকারী ধরা পড়েনি

ডুমুরিয়ার শরাফপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবুল ইসলাম রবির হত্যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরেও হত্যার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মূল খুনিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। গ্রেফতার হওয়া ৮ জন আসামি সবই জামিনে মুক্ত।

গত বছরের ৬ জুলাই গুটুদিয়া ওয়াপদার মাথা এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান রবি। আওয়ামীলীগের শক্তিশালী প্রার্থীকে পরাজিত করে তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এলাকার মানুষের কাছে তিনি জনপ্রিয় ছিলেন।

রবির স্ত্রী শায়লা ইরিন বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। এর মধ্যে প্রধান আসামি করা হয় নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী কে এম ওবায়দুল্লাহকে। এরপর গ্রেফতারকৃতরা জামিনে মুক্ত হন।

স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডে পুলিশের গাফিলতি ও রাজনৈতিক শীর্ষ নেতাদের প্রভাবের কারণে মামলাটি অন্ধকারে রয়ে গেছে। পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের এখনও সনাক্ত করা যায়নি। নিহতের পরিবারের কিছু সদস্যের দাবি, ভাড়াটে খুনিরা প্রতিবেশী দেশ থেকে আসতে পারে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক বিরোধের প্রেক্ষিতে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

ডুমুরিয়া থানার ওসি মাসুদ রানা জানিয়েছেন, “মামলার শুরুতে পুলিশের কর্মকান্ড কিছুটা দুর্বল ছিল। এ পর্যন্ত তদন্তে কিছু ক্লু পাওয়া গেলেও হত্যার মূল উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা যায়নি।” অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, সিআইডি বা পিবিআই দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে হত্যার মোটিভ উদঘাটন সম্ভব হতে পারত।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ডুমুরিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবির হত্যার এক বছর: পরিকল্পনাকারী ধরা পড়েনি

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

ডুমুরিয়ার শরাফপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবুল ইসলাম রবির হত্যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরেও হত্যার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মূল খুনিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। গ্রেফতার হওয়া ৮ জন আসামি সবই জামিনে মুক্ত।

গত বছরের ৬ জুলাই গুটুদিয়া ওয়াপদার মাথা এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান রবি। আওয়ামীলীগের শক্তিশালী প্রার্থীকে পরাজিত করে তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এলাকার মানুষের কাছে তিনি জনপ্রিয় ছিলেন।

রবির স্ত্রী শায়লা ইরিন বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। এর মধ্যে প্রধান আসামি করা হয় নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী কে এম ওবায়দুল্লাহকে। এরপর গ্রেফতারকৃতরা জামিনে মুক্ত হন।

স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডে পুলিশের গাফিলতি ও রাজনৈতিক শীর্ষ নেতাদের প্রভাবের কারণে মামলাটি অন্ধকারে রয়ে গেছে। পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের এখনও সনাক্ত করা যায়নি। নিহতের পরিবারের কিছু সদস্যের দাবি, ভাড়াটে খুনিরা প্রতিবেশী দেশ থেকে আসতে পারে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক বিরোধের প্রেক্ষিতে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

ডুমুরিয়া থানার ওসি মাসুদ রানা জানিয়েছেন, “মামলার শুরুতে পুলিশের কর্মকান্ড কিছুটা দুর্বল ছিল। এ পর্যন্ত তদন্তে কিছু ক্লু পাওয়া গেলেও হত্যার মূল উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা যায়নি।” অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, সিআইডি বা পিবিআই দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে হত্যার মোটিভ উদঘাটন সম্ভব হতে পারত।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত