চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ডিভোর্সের পরও একসাথে বসবাসের অভিযোগে বিতর্কে মাদ্রাসা সুপার

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ডিভোর্সের পরও একসাথে বসবাসের অভিযোগে বিতর্কে মাদ্রাসা সুপার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের খান্দুরা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে নানা অভিযোগ উঠেছে। ডিভোর্স হওয়ার পরও তার সাবেক স্ত্রী লায়লি ইসলামের সঙ্গে একসাথে বসবাস করছেন—এমন অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৪ নভেম্বর ২০১৩ সালে জহিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লায়লি ইসলামের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ (ডিভোর্স) সম্পন্ন হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, সেই ডিভোর্সের পরও তারা একই সাথে সংসার করে আসছেন। এ বিষয়টি আইনগত ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মত দিয়েছেন এলাকাবাসীর একটি অংশ। এদিকে, জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল, যার মধ্যে রয়েছে অনৈতিক সম্পর্ক, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রায় ৪-৫ মাস আগে এসব অভিযোগের প্রতিবাদে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতির চাপে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ সোহেল আবদাল বলেন, “আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সুপার পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হোক, যাতে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষিত থাকে। এলাকাবাসীর অনেকেই বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অন্যদিকে, মাদ্রাসার কয়েকজন সহকারী শিক্ষক দাবি করেন, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিকবার উপস্থিত হননি এবং বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। এছাড়া পূর্বে তার বিরুদ্ধে একাধিক বিবাহ সংক্রান্ত অভিযোগও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল বলে স্থানীয়রা জানান। একজন ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, “তিনি আমাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় পরে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি ও ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন।” তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ডিভোর্সের পরও একসাথে বসবাসের অভিযোগে বিতর্কে মাদ্রাসা সুপার

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের খান্দুরা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে নানা অভিযোগ উঠেছে। ডিভোর্স হওয়ার পরও তার সাবেক স্ত্রী লায়লি ইসলামের সঙ্গে একসাথে বসবাস করছেন—এমন অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৪ নভেম্বর ২০১৩ সালে জহিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লায়লি ইসলামের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ (ডিভোর্স) সম্পন্ন হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, সেই ডিভোর্সের পরও তারা একই সাথে সংসার করে আসছেন। এ বিষয়টি আইনগত ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মত দিয়েছেন এলাকাবাসীর একটি অংশ। এদিকে, জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল, যার মধ্যে রয়েছে অনৈতিক সম্পর্ক, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রায় ৪-৫ মাস আগে এসব অভিযোগের প্রতিবাদে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতির চাপে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ সোহেল আবদাল বলেন, “আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সুপার পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হোক, যাতে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষিত থাকে। এলাকাবাসীর অনেকেই বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অন্যদিকে, মাদ্রাসার কয়েকজন সহকারী শিক্ষক দাবি করেন, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিকবার উপস্থিত হননি এবং বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। এছাড়া পূর্বে তার বিরুদ্ধে একাধিক বিবাহ সংক্রান্ত অভিযোগও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল বলে স্থানীয়রা জানান। একজন ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, “তিনি আমাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় পরে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি ও ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন।” তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত