খুলনা জেলা প্রশাসক আ.স.ম. জামসেদ খোন্দকার বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটির নামে আর কোনো সাংবাদিককে জেলে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, ভুয়া তথ্য মোকাবিলা এবং প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে খুলনা সার্কিট হাউজে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত “নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ” কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, “চাকরির ক্ষতি হলেও আমরা নিরপেক্ষ থাকব এই মানসিকতা নিয়েই নির্বাচন পরিচালনা করছি।”
তিনি জানান, খুলনায় যোগদানের শুরুতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং থাকলেও প্রশাসন ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই সহনশীল হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে বিভিন্ন পর্যায় থেকে অনুরোধ আসে। কিন্তু নিয়মের বাইরে একটি কাজও আমরা করিনি।”
পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় কোনো ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন করা হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। একইভাবে অবৈধ যানবাহন ও বালুমহল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
খুলনার পাঁচটি সংসদীয় আসনের নির্বাচন পরিস্থিতিকে এখন পর্যন্ত ‘আইডিয়াল’ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রার্থীরাও অত্যন্ত সহযোগিতামূলক আচরণ করছেন। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক নির্বাচন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এরই মধ্যে অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং অন্যান্য জেলার তুলনায় খুলনায় অভিযোগের সংখ্যা কম।
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আপনারা অনিয়ম তুলে ধরেন বলেই আমরা অনেক বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি।”
তবে নির্বাচনকালীন সময়ে এআই, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনকে সবচেয়ে বড় ভয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে।
“দিনকে রাত বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে এটা খুবই ভয়ংকর। তাই ফ্যাক্ট চেকিং অত্যন্ত জরুরি,” যোগ করেন তিনি।
পিআইবির সানোয়ার সাইদ শাহীনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, প্রশিক্ষণ রিসোর্স পারসন দৈনিক আমার দেশের ডেপুটি এডিটর সুলতান মাহমুদ বাদল, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা।
দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালা শেষ হবে সোমবার (১৯ জানুয়ারি)। এতে খুলনার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনা জেলা প্রশাসক আ.স.ম. জামসেদ খোন্দকার বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটির নামে আর কোনো সাংবাদিককে জেলে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, ভুয়া তথ্য মোকাবিলা এবং প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে খুলনা সার্কিট হাউজে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত “নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ” কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, “চাকরির ক্ষতি হলেও আমরা নিরপেক্ষ থাকব এই মানসিকতা নিয়েই নির্বাচন পরিচালনা করছি।”
তিনি জানান, খুলনায় যোগদানের শুরুতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং থাকলেও প্রশাসন ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই সহনশীল হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে বিভিন্ন পর্যায় থেকে অনুরোধ আসে। কিন্তু নিয়মের বাইরে একটি কাজও আমরা করিনি।”
পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় কোনো ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন করা হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। একইভাবে অবৈধ যানবাহন ও বালুমহল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
খুলনার পাঁচটি সংসদীয় আসনের নির্বাচন পরিস্থিতিকে এখন পর্যন্ত ‘আইডিয়াল’ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রার্থীরাও অত্যন্ত সহযোগিতামূলক আচরণ করছেন। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক নির্বাচন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এরই মধ্যে অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং অন্যান্য জেলার তুলনায় খুলনায় অভিযোগের সংখ্যা কম।
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আপনারা অনিয়ম তুলে ধরেন বলেই আমরা অনেক বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারি।”
তবে নির্বাচনকালীন সময়ে এআই, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনকে সবচেয়ে বড় ভয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে।
“দিনকে রাত বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে এটা খুবই ভয়ংকর। তাই ফ্যাক্ট চেকিং অত্যন্ত জরুরি,” যোগ করেন তিনি।
পিআইবির সানোয়ার সাইদ শাহীনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, প্রশিক্ষণ রিসোর্স পারসন দৈনিক আমার দেশের ডেপুটি এডিটর সুলতান মাহমুদ বাদল, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা।
দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালা শেষ হবে সোমবার (১৯ জানুয়ারি)। এতে খুলনার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
