ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেছেন। কবরের পাশে মোনাজাতের সময় ভিপি আবু সাদিক আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় আবরারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামের গোরস্থানে পৌঁছান ভিপি সাদিক ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা। জিয়ারতের পর তারা আবরারের বাবা বরকত উল্লাহর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
জিয়ারত ও মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ভিপি আবু সাদিক কায়েম। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় ছাত্রশিবির, অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলের তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে রাত ৩টার দিকে হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ড দেশের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। মামলার রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেছেন। কবরের পাশে মোনাজাতের সময় ভিপি আবু সাদিক আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় আবরারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামের গোরস্থানে পৌঁছান ভিপি সাদিক ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা। জিয়ারতের পর তারা আবরারের বাবা বরকত উল্লাহর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
জিয়ারত ও মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ভিপি আবু সাদিক কায়েম। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় ছাত্রশিবির, অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলের তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে রাত ৩টার দিকে হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ড দেশের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। মামলার রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
