নাটোর–৪ (গুরুদাসপুর–বড়াইগ্রাম) আসনের নির্বাচনী মাঠ দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা চৌকাঠ প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে উদ্বেগের বিষয় তুলে ধরেছেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গুরুদাসপুরের ৬৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টি এবং বড়াইগ্রামের ৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নাজিরপুর ইউনিয়নের প্রায় সব কেন্দ্র—মোট ৩০টি—ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। নারী–পুরুষ মিলিয়ে এই ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ৪৭৪ জন। স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।
বিএনপির রাজনৈতিক সূত্র জানায়, নাজিরপুর ইউনিয়ন জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। বড়াইগ্রামের কয়েকটি কেন্দ্রকেও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে অন্তত চারটি করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ জানান, নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, র্যাব ও বিজিবি সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনমতো সেনাবাহিনীর টহলও জোরদার করা হবে।
নাটোর–৪ আসনে মোট ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৬০০ জন ভোটার ১৬৭টি কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন। গুরুদাসপুরে ৬৮টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৯০ হাজার ২২৮ জন, বড়াইগ্রামে ৯৯টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭২ জন ভোটার রয়েছেন। জামায়াত–বিএনপি ছাড়াও জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও আমার বাংলাদেশ পার্টির মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সোমবার গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘ঝুঁকিমুক্ত ভোট গ্রহণ ও গণভোট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ বলেন, “নির্বাচন ঝুঁকিমুক্ত ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃণমূল ভোটারদের সচেতন করা হচ্ছে যাতে ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারেন।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
নাটোর–৪ (গুরুদাসপুর–বড়াইগ্রাম) আসনের নির্বাচনী মাঠ দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা চৌকাঠ প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে উদ্বেগের বিষয় তুলে ধরেছেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গুরুদাসপুরের ৬৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টি এবং বড়াইগ্রামের ৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নাজিরপুর ইউনিয়নের প্রায় সব কেন্দ্র—মোট ৩০টি—ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। নারী–পুরুষ মিলিয়ে এই ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৩৫ হাজার ৪৭৪ জন। স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।
বিএনপির রাজনৈতিক সূত্র জানায়, নাজিরপুর ইউনিয়ন জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। বড়াইগ্রামের কয়েকটি কেন্দ্রকেও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে অন্তত চারটি করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ জানান, নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, র্যাব ও বিজিবি সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনমতো সেনাবাহিনীর টহলও জোরদার করা হবে।
নাটোর–৪ আসনে মোট ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৬০০ জন ভোটার ১৬৭টি কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন। গুরুদাসপুরে ৬৮টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৯০ হাজার ২২৮ জন, বড়াইগ্রামে ৯৯টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭২ জন ভোটার রয়েছেন। জামায়াত–বিএনপি ছাড়াও জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও আমার বাংলাদেশ পার্টির মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সোমবার গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘ঝুঁকিমুক্ত ভোট গ্রহণ ও গণভোট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ বলেন, “নির্বাচন ঝুঁকিমুক্ত ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃণমূল ভোটারদের সচেতন করা হচ্ছে যাতে ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারেন।”
