চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

জামালগঞ্জে উড়াল সড়ক প্রকল্প: টেন্ডার হলেই কাজ শুরু হবে-শিক্ষা উপদেষ্টা

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জামালগঞ্জে উড়াল সড়ক প্রকল্প: টেন্ডার হলেই কাজ শুরু হবে-শিক্ষা উপদেষ্টা

সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জে বহুল প্রতীক্ষিত উড়াল সড়ক প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। রবিবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি সাচনা ও রামপুর গ্রামের মধ্যবর্তী প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের সময়ে অনেক প্রকল্প বাদ গেলেও উড়াল সেতুর এই প্রকল্পটি বাদ যায়নি। টেন্ডারিং প্রক্রিয়ায় কিছু ত্রুটি থাকায় পুনরায় রিটেন্ডার আহ্বান করা হবে। যেহেতু প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদনপ্রাপ্ত, তাই টেন্ডার হলেই কাজ শুরু হবে।”

তিনি আরও জানান, হাওরাঞ্চলে আবাসিক স্কুল করার বিষয়ে শিক্ষকদের আগ্রহ না থাকায় তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। তবে উড়াল সেতু প্রকল্পে যাদের জমি পড়বে, তারা প্রচলিত আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবেন। হাওর ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“হাওর ভাতা যে প্রক্রিয়ায় তারা পেতে পারেন, আমরা সেই প্রক্রিয়ায় চেষ্টা চালাচ্ছি।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম, উড়াল সেতু প্রকল্প পরিচালক গোলাম মাওলা, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, পুলিশ সুপার তোফায়েল আহাম্মেদ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল রায়, উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পিযূষ কান্তি মজুমদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর একনেকের অনুমোদন পাওয়া “হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প”-এর আওতায় জামালগঞ্জ-ধর্মপাশাসহ সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জামালগঞ্জে উড়াল সড়ক প্রকল্প: টেন্ডার হলেই কাজ শুরু হবে-শিক্ষা উপদেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৫

featured Image

সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জে বহুল প্রতীক্ষিত উড়াল সড়ক প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। রবিবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি সাচনা ও রামপুর গ্রামের মধ্যবর্তী প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের সময়ে অনেক প্রকল্প বাদ গেলেও উড়াল সেতুর এই প্রকল্পটি বাদ যায়নি। টেন্ডারিং প্রক্রিয়ায় কিছু ত্রুটি থাকায় পুনরায় রিটেন্ডার আহ্বান করা হবে। যেহেতু প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদনপ্রাপ্ত, তাই টেন্ডার হলেই কাজ শুরু হবে।”

তিনি আরও জানান, হাওরাঞ্চলে আবাসিক স্কুল করার বিষয়ে শিক্ষকদের আগ্রহ না থাকায় তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। তবে উড়াল সেতু প্রকল্পে যাদের জমি পড়বে, তারা প্রচলিত আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবেন। হাওর ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“হাওর ভাতা যে প্রক্রিয়ায় তারা পেতে পারেন, আমরা সেই প্রক্রিয়ায় চেষ্টা চালাচ্ছি।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম, উড়াল সেতু প্রকল্প পরিচালক গোলাম মাওলা, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, পুলিশ সুপার তোফায়েল আহাম্মেদ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল রায়, উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পিযূষ কান্তি মজুমদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর একনেকের অনুমোদন পাওয়া “হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প”-এর আওতায় জামালগঞ্জ-ধর্মপাশাসহ সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত