চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

জয়পুরহাটে ঘুষ ছাড়াই ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেল ১৩ জন যুবক

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জয়পুরহাটে ঘুষ ছাড়াই ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেল ১৩ জন যুবক

জয়পুরহাটে ঘুষ বা তদবির ছাড়াই মাত্র ১২০ টাকা খরচে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে চাকরি পেলেন ১৩ জন প্রার্থী। স্বচ্ছ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত এই যুবকরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় জয়পুরহাট পুলিশ লাইন্সে ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাব। তিনি জানান, তালিকায় আরও ৩ জন প্রার্থীকে অপেক্ষমান হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পরপরই উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩-১৫ আগস্ট কনস্টেবল পদে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১,২৯৪ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে ২৯ আগস্ট লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ১৭৮ জন। লিখিত পরীক্ষায় ২৫ জন উত্তীর্ণ হন। চূড়ান্ত ধাপে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, "আমরা স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছি। যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের অনেকেই গরীব ও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল,  পুলিশে চাকরি মানেই ঘুষ ও তদবিরের প্রয়োজন। আমরা সেই ধারণা বদলে দিতে চাই।"

জয়পুরহাটে পুলিশের এই স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জয়পুরহাটে ঘুষ ছাড়াই ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেল ১৩ জন যুবক

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

জয়পুরহাটে ঘুষ বা তদবির ছাড়াই মাত্র ১২০ টাকা খরচে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে চাকরি পেলেন ১৩ জন প্রার্থী। স্বচ্ছ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত এই যুবকরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় জয়পুরহাট পুলিশ লাইন্সে ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাব। তিনি জানান, তালিকায় আরও ৩ জন প্রার্থীকে অপেক্ষমান হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পরপরই উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩-১৫ আগস্ট কনস্টেবল পদে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১,২৯৪ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে ২৯ আগস্ট লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ১৭৮ জন। লিখিত পরীক্ষায় ২৫ জন উত্তীর্ণ হন। চূড়ান্ত ধাপে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, "আমরা স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছি। যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের অনেকেই গরীব ও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল,  পুলিশে চাকরি মানেই ঘুষ ও তদবিরের প্রয়োজন। আমরা সেই ধারণা বদলে দিতে চাই।"

জয়পুরহাটে পুলিশের এই স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত