চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

চট্টগ্রামে প্রেমিকা ও সহযোগীদের হাতে পরিকল্পিত হত্যা, পুলিশ গ্রেপ্তার

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
চট্টগ্রামে প্রেমিকা ও সহযোগীদের হাতে পরিকল্পিত হত্যা, পুলিশ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে এক যুবককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরো করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম মো. আনিস (৩২), তিনি রাউজান উপজেলার বাসিন্দা এবং পেশায় কসাই ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে হত্যার লোমহর্ষক বিস্তারিত।
উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, নারীর ডাকে শহীদনগরের বাসায় আনিসকে ডেকে আনা হয়। সেখানে মসলা বাটার নোড়া দিয়ে আঘাত করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশ ছয়টি অংশে ভাগ করে আশপাশের খাল ও ভাগাড়ে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা প্রথমে কুকুরের মুখে দুটি হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ দেহের অন্যান্য অংশও উদ্ধার করে। মোবাইল ফোন কললিস্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে সন্দেহভাজন নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নারীর দাবি, আনিস তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিলেন। তবে নিহতের পরিবার অভিযোগ, টাকা ফেরত চাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হবে। তদন্ত শেষে পুরো ঘটনার প্রকৃত কারণ জানানো হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


চট্টগ্রামে প্রেমিকা ও সহযোগীদের হাতে পরিকল্পিত হত্যা, পুলিশ গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে এক যুবককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরো করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম মো. আনিস (৩২), তিনি রাউজান উপজেলার বাসিন্দা এবং পেশায় কসাই ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে হত্যার লোমহর্ষক বিস্তারিত।
উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, নারীর ডাকে শহীদনগরের বাসায় আনিসকে ডেকে আনা হয়। সেখানে মসলা বাটার নোড়া দিয়ে আঘাত করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশ ছয়টি অংশে ভাগ করে আশপাশের খাল ও ভাগাড়ে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা প্রথমে কুকুরের মুখে দুটি হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ দেহের অন্যান্য অংশও উদ্ধার করে। মোবাইল ফোন কললিস্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে সন্দেহভাজন নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নারীর দাবি, আনিস তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিলেন। তবে নিহতের পরিবার অভিযোগ, টাকা ফেরত চাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হবে। তদন্ত শেষে পুরো ঘটনার প্রকৃত কারণ জানানো হবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত