চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাটে মধ্যরাতে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলার ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন কিশোরও রয়েছে। বুধবার (১ অক্টোবর) গভীর রাত আনুমানিক ২টার দিকে সদরঘাট থানার মহব্বত গলি, পুরাতন কাস্টম পূর্ব মাদারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- সাইফুল (২০), নুরুদ্দিন (২৪), আরমান (২৫), রিয়াদ হাসান (১৫) গুলিবিদ্ধ।
গুরুতর আহত রিয়াদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে, রিয়াদের শরীরে গুলির আঘাত রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের অন্ধকারে এ সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলার সময় মহব্বত গলি ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও মামলা দেওয়া হয়নি। তারা মামলা করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।”
চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহতদের দেখতে ভিড় করেন তাদের স্বজনরা। কিশোর রিয়াদের মা গণমাধ্যমকে বলেন, “আমার ছেলে মাত্র ১৫ বছরের। সে কোনো দোষে জড়িত নয়, তবু তাকে গুলি করা হলো। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ ধরনের গুলির ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সদরঘাট ও আশপাশের এলাকা এখনও উত্তেজনায় রয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৫
চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাটে মধ্যরাতে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলার ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন কিশোরও রয়েছে। বুধবার (১ অক্টোবর) গভীর রাত আনুমানিক ২টার দিকে সদরঘাট থানার মহব্বত গলি, পুরাতন কাস্টম পূর্ব মাদারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- সাইফুল (২০), নুরুদ্দিন (২৪), আরমান (২৫), রিয়াদ হাসান (১৫) গুলিবিদ্ধ।
গুরুতর আহত রিয়াদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে, রিয়াদের শরীরে গুলির আঘাত রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের অন্ধকারে এ সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলার সময় মহব্বত গলি ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও মামলা দেওয়া হয়নি। তারা মামলা করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।”
চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহতদের দেখতে ভিড় করেন তাদের স্বজনরা। কিশোর রিয়াদের মা গণমাধ্যমকে বলেন, “আমার ছেলে মাত্র ১৫ বছরের। সে কোনো দোষে জড়িত নয়, তবু তাকে গুলি করা হলো। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ ধরনের গুলির ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সদরঘাট ও আশপাশের এলাকা এখনও উত্তেজনায় রয়েছে।
