চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে ছিনতাইকারীর হাতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যসহ ৫ জন আহত

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে ছিনতাইকারীর হাতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যসহ ৫ জন আহত
গাইবান্ধা সড়কে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আরিফুল ইসলাম আরিফ (৪৪)সহ ৫ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সেনা সদস্য আরিফুল ইসলামকে মুমূর্ষু অবস্থায় রংপুর সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৬ জানুয়ারি রাত ১টার দিকে। পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের দুবলাগাড়ী গ্রামের মরহুম আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে আরিফুল ইসলাম (সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য) একই গ্রামের মিশু (অটোরিকশা) চালক সবুজ (৪০), বজলু মিয়া (৩৫), শরীফ (৩৫) এবং অপর একজন যাত্রী মিলে একটি মিশু যোগে পলাশবাড়ী অভিমুখে যাচ্ছিলেন। তারা ওইদিন সন্ধ্যায় পলাশবাড়ীর এক নারীকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য গাইবান্ধা শহরের সেন্টার ক্লিনিকে ভর্তি করতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে রাত ১টার দিকে সড়কের ডাকঘর মোড়ের কাছে (চেয়ারম্যানের বাড়ির পূর্বপাশে) ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। ছিনতাইকারীরা পুলিশের সিগন্যাল লাইটের মতো লাল-নীল আলো জ্বালিয়ে যানবাহন থামায়। যাত্রীরা প্রথমে পুলিশ ভেবে মিশু থামান। পরক্ষণেই বুঝতে পারেন এরা ছিনতাইকারী। শার্ট-প্যান্ট পরিহিত, মুখ ঢাকা দুর্বৃত্তরা লাঠি ও ধারালো হাসুয়া (দা) নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। সাহসী সেনা সদস্য আরিফুল ইসলাম দুজন ছিনতাইকারীকে জাপটে ধরে লড়াই করেন। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে একটি পুলিশ টহল পিকআপ যাচ্ছিল। আহতরা ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করলেও পুলিশ থামেনি। এতে ছিনতাইকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আরিফুল ইসলামকে একাধিক কোপ দেয়, যার ফলে তিনি রক্তাক্ত ও মারাত্মক জখম হন। মিশু চালক সবুজের পেটে লাথি মেরে আহত করা হয়। ছিনতাইকারীরা নগদ সাড়ে ৮ হাজার টাকাসহ ৪টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অধিক রক্তক্ষরণে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ায় আরিফুল ইসলামকে রংপুর সিএমএইচ-এর আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তার শরীরে অসংখ্য সেলাই দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ার আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অপরাধীদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এ সড়কে ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, টহল পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে ছিনতাইকারীর হাতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যসহ ৫ জন আহত

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
গাইবান্ধা সড়কে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আরিফুল ইসলাম আরিফ (৪৪)সহ ৫ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সেনা সদস্য আরিফুল ইসলামকে মুমূর্ষু অবস্থায় রংপুর সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৬ জানুয়ারি রাত ১টার দিকে। পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের দুবলাগাড়ী গ্রামের মরহুম আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে আরিফুল ইসলাম (সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য) একই গ্রামের মিশু (অটোরিকশা) চালক সবুজ (৪০), বজলু মিয়া (৩৫), শরীফ (৩৫) এবং অপর একজন যাত্রী মিলে একটি মিশু যোগে পলাশবাড়ী অভিমুখে যাচ্ছিলেন। তারা ওইদিন সন্ধ্যায় পলাশবাড়ীর এক নারীকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য গাইবান্ধা শহরের সেন্টার ক্লিনিকে ভর্তি করতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে রাত ১টার দিকে সড়কের ডাকঘর মোড়ের কাছে (চেয়ারম্যানের বাড়ির পূর্বপাশে) ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। ছিনতাইকারীরা পুলিশের সিগন্যাল লাইটের মতো লাল-নীল আলো জ্বালিয়ে যানবাহন থামায়। যাত্রীরা প্রথমে পুলিশ ভেবে মিশু থামান। পরক্ষণেই বুঝতে পারেন এরা ছিনতাইকারী। শার্ট-প্যান্ট পরিহিত, মুখ ঢাকা দুর্বৃত্তরা লাঠি ও ধারালো হাসুয়া (দা) নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। সাহসী সেনা সদস্য আরিফুল ইসলাম দুজন ছিনতাইকারীকে জাপটে ধরে লড়াই করেন। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে একটি পুলিশ টহল পিকআপ যাচ্ছিল। আহতরা ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করলেও পুলিশ থামেনি। এতে ছিনতাইকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আরিফুল ইসলামকে একাধিক কোপ দেয়, যার ফলে তিনি রক্তাক্ত ও মারাত্মক জখম হন। মিশু চালক সবুজের পেটে লাথি মেরে আহত করা হয়। ছিনতাইকারীরা নগদ সাড়ে ৮ হাজার টাকাসহ ৪টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অধিক রক্তক্ষরণে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ায় আরিফুল ইসলামকে রংপুর সিএমএইচ-এর আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তার শরীরে অসংখ্য সেলাই দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ার আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অপরাধীদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এ সড়কে ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, টহল পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত