রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা-এ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলা।
উপজেলা প্রশাসন গঙ্গাচড়া-এর আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ মেলায় শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্ভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
উপজেলা পরিষদ চত্বর ও উপজেলা অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে দুই দিনব্যাপী এ মেলায় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও ১০ম বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও উদ্ভাবনী চিন্তাই দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমুখী করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।
মেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও বৈজ্ঞানিক মডেল উপস্থাপন করে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট কৃষি এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে তৈরি নানা প্রকল্প দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান বলেন, এ ধরনের মেলা তাদের নতুন কিছু শিখতে ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করছে।
গজঘন্টা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর রহমান জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে এমন আয়োজন ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী তৈরিতে সহায়ক হবে।
গঙ্গাচড়া মহিলা কলেজের ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, তারা পরিবেশবান্ধব প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতে বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে এমন উদ্ভাবন করতে চায়।
গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
মেলা পরিদর্শনে আসা অভিভাবক ও দর্শনার্থীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, গ্রামীণ পর্যায়ে এমন বিজ্ঞানভিত্তিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
শেষে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সেরা প্রকল্প নির্বাচন করে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামুখী মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা-এ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বিজ্ঞান মেলা।
উপজেলা প্রশাসন গঙ্গাচড়া-এর আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ মেলায় শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্ভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
উপজেলা পরিষদ চত্বর ও উপজেলা অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে দুই দিনব্যাপী এ মেলায় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও ১০ম বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও উদ্ভাবনী চিন্তাই দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমুখী করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।
মেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও বৈজ্ঞানিক মডেল উপস্থাপন করে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট কৃষি এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে তৈরি নানা প্রকল্প দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান বলেন, এ ধরনের মেলা তাদের নতুন কিছু শিখতে ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করছে।
গজঘন্টা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর রহমান জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে এমন আয়োজন ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী তৈরিতে সহায়ক হবে।
গঙ্গাচড়া মহিলা কলেজের ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, তারা পরিবেশবান্ধব প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতে বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে এমন উদ্ভাবন করতে চায়।
গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
মেলা পরিদর্শনে আসা অভিভাবক ও দর্শনার্থীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, গ্রামীণ পর্যায়ে এমন বিজ্ঞানভিত্তিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
শেষে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সেরা প্রকল্প নির্বাচন করে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামুখী মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
