শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি-বেসরকারি পাটকল, খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও হার্ডবোর্ড মিলের কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া খুলনা-৩ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
এই আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ মোট ৯ জন প্রার্থী। তারা হলেন, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, জামায়াতে ইসলামীর মহানগর আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর মো. আব্দুল আউয়াল, বাসদের জনার্দন দত্ত নান্টু, এনডিএমের শেখ আরমান হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এফ এম হারুনর রশীদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ খান লিটন ও মঈন মোহাম্মদ মায়াজ।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন ব্যবসায়ী, ৩ জন শিক্ষক ও ১ জন ছাত্র।
হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আয় ও সম্পদের দিক থেকে জামায়াত প্রার্থী মাহফুজুর রহমানের চেয়ে বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল এগিয়ে।
রকিবুল ইসলাম বকুলের মোট অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪৩ টাকা এবং বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮০ হাজার ১৮৭ টাকা। তিনি এমবিএ পাশ, পেশায় ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। সর্বশেষ অর্থবছরে তিনি ২ লাখ ২৭ হাজার ৫৪৭ টাকা আয়কর দিয়েছেন।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান এমএসসি পাশ, পেশায় শিক্ষক। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩৯ টাকা এবং বার্ষিক আয় ৮ লাখ ২৬ হাজার ৯০১ টাকা। তিনি ১০টি মামলায় খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন এবং সর্বশেষ ৪ হাজার টাকা আয়কর দিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আউয়াল কামিল পাশ, শিক্ষক। তার বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, মোট সম্পদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
বাসদের জনার্দন দত্ত নান্টু এমএসসি পাশ, ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এনডিএম প্রার্থী শেখ আরমান হোসেন স্নাতক পাশ, পেশা ছাত্র, বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ টাকা।
জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এসএসসি পাশ, ব্যবসায়ী। তার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬০ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এফ এম হারুনর রশীদ এমএ, এমএড পাশ, শিক্ষক। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ খান লিটন ব্যবসায়ী, যার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন মোহাম্মদ মায়াজ নবম শ্রেণি পাশ, ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং সর্বশেষ ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৬৪ টাকা আয়কর দিয়েছেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি-বেসরকারি পাটকল, খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও হার্ডবোর্ড মিলের কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া খুলনা-৩ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
এই আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ মোট ৯ জন প্রার্থী। তারা হলেন, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, জামায়াতে ইসলামীর মহানগর আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর মো. আব্দুল আউয়াল, বাসদের জনার্দন দত্ত নান্টু, এনডিএমের শেখ আরমান হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এফ এম হারুনর রশীদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ খান লিটন ও মঈন মোহাম্মদ মায়াজ।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন ব্যবসায়ী, ৩ জন শিক্ষক ও ১ জন ছাত্র।
হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আয় ও সম্পদের দিক থেকে জামায়াত প্রার্থী মাহফুজুর রহমানের চেয়ে বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল এগিয়ে।
রকিবুল ইসলাম বকুলের মোট অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪৩ টাকা এবং বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮০ হাজার ১৮৭ টাকা। তিনি এমবিএ পাশ, পেশায় ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। সর্বশেষ অর্থবছরে তিনি ২ লাখ ২৭ হাজার ৫৪৭ টাকা আয়কর দিয়েছেন।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান এমএসসি পাশ, পেশায় শিক্ষক। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩৯ টাকা এবং বার্ষিক আয় ৮ লাখ ২৬ হাজার ৯০১ টাকা। তিনি ১০টি মামলায় খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন এবং সর্বশেষ ৪ হাজার টাকা আয়কর দিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আউয়াল কামিল পাশ, শিক্ষক। তার বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, মোট সম্পদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
বাসদের জনার্দন দত্ত নান্টু এমএসসি পাশ, ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এনডিএম প্রার্থী শেখ আরমান হোসেন স্নাতক পাশ, পেশা ছাত্র, বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ টাকা।
জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এসএসসি পাশ, ব্যবসায়ী। তার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬০ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এফ এম হারুনর রশীদ এমএ, এমএড পাশ, শিক্ষক। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ খান লিটন ব্যবসায়ী, যার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন মোহাম্মদ মায়াজ নবম শ্রেণি পাশ, ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং সর্বশেষ ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৬৪ টাকা আয়কর দিয়েছেন।
