চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনার তিন প্রবেশদ্বার: বেহাল সড়ক, দুর্ঘটনার ফাঁদ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনার তিন প্রবেশদ্বার: বেহাল সড়ক, দুর্ঘটনার ফাঁদ

খুলনা মহানগরীতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। শহরের তিনটি প্রধান প্রবেশদ্বারের প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। খুলনা উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কেডিএ), খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ও এলজিইডির সমন্বয়হীনতার কারণে মেরামত কার্যকর হয়নি।

প্রবেশদ্বারগুলোর বেহাল দশার কারণে ছোটখাটো দুর্ঘটনা নিয়ত ঘটছে। ইজিবাইক, বাস, ট্রাক ও প্রাইভেটকারসহ সব ধরনের যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিকল্প সড়কগুলোতে যানচাপও বেড়ে গেছে।

মোস্তফার মোড় থেকে রায়েরমহল কেসিসি নিয়ন্ত্রিত ২ কিলোমিটার সড়ক। ২০২২-২৩ অর্থবছরে পুনর্নির্মাণ করা হলেও বড় বড় গর্ত এখনও তৈরি হচ্ছে।

খানজাহানআলী সেতু থেকে রুপসা ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত শিপইয়ার্ড সড়ক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ, কেডিএ নিয়ন্ত্রিত। ২০১০ সালে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও এখনও কাজ সম্পন্ন হয়নি।

সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়ক কেসিসি ও কেডিএর যৌথ দায়িত্বে ২.১৬ কিলোমিটার সড়ক। ২০১১ সালে নির্মাণ শুরু হলেও বড় গর্ত ও অনুপযোগী অবস্থার কারণে সমস্যার মধ্যে রয়েছে।

সড়কগুলোর পাশে রয়েছে ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২৭টি চালকল, ২৪৩টি কাঠগোলা ও বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঢাকার মতো দেশের প্রায় ১৮টি জেলা থেকে যাত্রী ও পন্যবাহী যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে খুলনা প্রবেশ করে।

বাস চালক ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, জীবন বিপন্ন হয়ে যায় সড়ক বেহাল অবস্থার কারণে। নিরাপদ সড়কের দাবি করে নিসচা খুলনা শাখা প্রতিবাদ জানিয়েছে। দীর্ঘদিনে সড়ক মেরামতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে।

কেডিএ ও কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, শিপইয়ার্ড সড়ক পুনর্নির্মাণের জন্য নতুন ঠিকাদারের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সোনাডাঙ্গা সংযোগ সড়ক ও অন্যান্য প্রকল্পের জন্য এলজিইডি এখনো সড়ক বুঝিয়ে দেয়নি।

নাগরিক ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবিতে জোর দিচ্ছেন, যাতে দুর্ঘটনা ও যানজট কমানো যায়।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনার তিন প্রবেশদ্বার: বেহাল সড়ক, দুর্ঘটনার ফাঁদ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

খুলনা মহানগরীতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। শহরের তিনটি প্রধান প্রবেশদ্বারের প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। খুলনা উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কেডিএ), খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ও এলজিইডির সমন্বয়হীনতার কারণে মেরামত কার্যকর হয়নি।

প্রবেশদ্বারগুলোর বেহাল দশার কারণে ছোটখাটো দুর্ঘটনা নিয়ত ঘটছে। ইজিবাইক, বাস, ট্রাক ও প্রাইভেটকারসহ সব ধরনের যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিকল্প সড়কগুলোতে যানচাপও বেড়ে গেছে।

মোস্তফার মোড় থেকে রায়েরমহল কেসিসি নিয়ন্ত্রিত ২ কিলোমিটার সড়ক। ২০২২-২৩ অর্থবছরে পুনর্নির্মাণ করা হলেও বড় বড় গর্ত এখনও তৈরি হচ্ছে।

খানজাহানআলী সেতু থেকে রুপসা ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত শিপইয়ার্ড সড়ক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ, কেডিএ নিয়ন্ত্রিত। ২০১০ সালে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও এখনও কাজ সম্পন্ন হয়নি।

সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়ক কেসিসি ও কেডিএর যৌথ দায়িত্বে ২.১৬ কিলোমিটার সড়ক। ২০১১ সালে নির্মাণ শুরু হলেও বড় গর্ত ও অনুপযোগী অবস্থার কারণে সমস্যার মধ্যে রয়েছে।

সড়কগুলোর পাশে রয়েছে ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২৭টি চালকল, ২৪৩টি কাঠগোলা ও বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঢাকার মতো দেশের প্রায় ১৮টি জেলা থেকে যাত্রী ও পন্যবাহী যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে খুলনা প্রবেশ করে।

বাস চালক ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, জীবন বিপন্ন হয়ে যায় সড়ক বেহাল অবস্থার কারণে। নিরাপদ সড়কের দাবি করে নিসচা খুলনা শাখা প্রতিবাদ জানিয়েছে। দীর্ঘদিনে সড়ক মেরামতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে।

কেডিএ ও কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, শিপইয়ার্ড সড়ক পুনর্নির্মাণের জন্য নতুন ঠিকাদারের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সোনাডাঙ্গা সংযোগ সড়ক ও অন্যান্য প্রকল্পের জন্য এলজিইডি এখনো সড়ক বুঝিয়ে দেয়নি।

নাগরিক ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবিতে জোর দিচ্ছেন, যাতে দুর্ঘটনা ও যানজট কমানো যায়।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত