খুলনায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এর মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠান আজ শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান।
অতিথিরা বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। তাই এসব প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নদী-নালা, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাশয়ে দেশীয় মাছ রক্ষা অত্যন্ত জরুরি।
বক্তারা জানান, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল মাছ চাষের উর্বর এলাকা। এখান থেকে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে।
তারা আরও বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রমগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।
মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে জনগণকে সচেতন করা গেলে এই খাত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। সরকার ইতোমধ্যেই মৎস্যখাতকে এগিয়ে নিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সাতদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে মূল্যায়ন বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিনিয়র সহকারী পরিচালক এ টি এম তৌফিক মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিপুল কুমার বসাক, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার মো. জাহিদুল হাসান, মৎস্য খামারি শেখ রেজানুল ইসলামসহ কর্মকর্তা, মাছচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৫
খুলনায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এর মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠান আজ শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান।
অতিথিরা বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। তাই এসব প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নদী-নালা, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাশয়ে দেশীয় মাছ রক্ষা অত্যন্ত জরুরি।
বক্তারা জানান, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল মাছ চাষের উর্বর এলাকা। এখান থেকে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে।
তারা আরও বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রমগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।
মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে জনগণকে সচেতন করা গেলে এই খাত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। সরকার ইতোমধ্যেই মৎস্যখাতকে এগিয়ে নিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সাতদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে মূল্যায়ন বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিনিয়র সহকারী পরিচালক এ টি এম তৌফিক মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিপুল কুমার বসাক, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ম্যানেজার মো. জাহিদুল হাসান, মৎস্য খামারি শেখ রেজানুল ইসলামসহ কর্মকর্তা, মাছচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
