চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনায় ঈদের বাজার জমেনি, ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেবে টেইলার্স ব্যবসায়ীরা

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনায় ঈদের বাজার জমেনি, ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেবে টেইলার্স ব্যবসায়ীরা
দেখতে দেখতে ৮ রোজা পার হয়ে গেল। এখনোও খুলনায় ঈদের বাজার জমে ওঠেনি। বিগত বছর গুলোতে এই সময় টেইলার্সে বেশ ভীড় থাকলেও এ বছরের দৃশ্য ব্যতিক্রম। তৈরি পোশাকের দখলে বাজার চলে যাওয়ায় মার খাচ্ছে টেইলার্স গুলো। গার্মেন্টসের শার্ট প্যান্ট যে দামে পাওয়া যায়, ঔই একই পোশাক কাপড় কিনে তৈরি করতে গেলে খরচ হয় দ্ধিগুন। এ কারনেই ঈদ উপলক্ষে ক্রেতারা শিট কাপড় ও টেইলার্সের দিকে না ঝুকে তৈরি পোশাকের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। ফলে খুলনার টেইলার্স মালিকরা খুবই হতাশ হয়ে পড়েছে। অনেক টেইলার্স মালিক ২৫ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়ার কথা জানিয়েছে। কেউ কেউ ২৯ রোজা পর্যন্ত অর্ডার নেবেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীরা বেতন- বোনাস পেলে মার্কেটে আসবেন। ফলে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ব্যবসা ভালো হবে বলে তাদের ধারনা। গতদিন খুলনার আখতার চেম্বার, হাজী মালেক চেম্বার, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স, রেলওয়ে বিপনি বিতান, নিউ মার্কেট সহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এ তথ্য জানাগেছে। আখতার চেম্বার মার্কেটে অবস্থিত স্টুডেন্ট টেইলার্সের ম্যানেজার অশোখ হালদার জানান, ঈদের ওর্ডার শুরু হয়েছে। কিন্তু খরিদদারের সংখ্যা খুব কম। তবে মাসের শেষে কিছু অর্ডার বাড়বে। চাকুরিজীবীরা মাস শেষে বেতন ও ঈদ বোনাস পাবেন। তখন কাজ ডবল হবে। তিনি বলেন, আগের তুলনায় কাজ বেড়েছে। ঈদের এক সপ্তাহ আগে অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বিগত দিনগুলোতে ১০/১৫ রমজানের মধ্যে ওয়ার্ডের নেওয়া বন্ধ হয়ে যেত। মাসের মধ্যম সময় থেকে রোজা শুরু হওয়ার কারনে কাজ কিছুটা কমে গেছে। তাছাড়া অনেকেই ঝামেলা এড়াতে গামেন্টসের রেডিমেট পোশাকের দিকে ঝুকছে। একারনে কাজ অনেকটা কমে গেছে। তবে শার্ট ও প্যান্ট পিসের দাম বেড়েছে। শার্টের মজুরি পাচশ এবং প্যান্টের মজুরি ছয়শ টাকা। গত তিন বছর ধরে একই দাম নির্ধারিত রয়েছে। এ্যাবকো ক্লথ স্টোরের মালিক জাভেদ জানান, বেচাকেনা মোটামুটি বেড়েছে। সিট কাপড়ের দাম বেড়েছে কিনা জানতে চাইলে প্রথমে সম্মতি প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে অস্বীকার করেন। তার দোকান চায়না এবং ইন্ডিয়ান কাপড়ের সরবরাহ বেশি। তবে এবছর পাকিস্তানি কিছু কাপড় উঠানো হয়েছে। ঈদে পাঞ্জাবির কাপড় বেশ চলছে। কাবলীর জন্য পাকিস্তানি কাপড়ের সাড়া পড়েছে। সব বয়সী ক্রেতা আসছে তার দোকানে। বিসমিল্লাহ ক্লথ স্টোরের কর্মচারি সুভাষ কুমার রায় বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাপড় বিক্রির পরিমান একটু বেড়েছে। সবেমাত্র ৯ টি রমজান অতিবাহিত হচ্ছে। ক্রেতারা আসছেন কিন্তু তারা দেখে চলে যাচ্ছেন। মাস শেষে বেতন বোনাস পেলে এখানে আসবেন এবং কাপড় কিনবেন। হাজী মালেক চেম্বারের বস টেইলার্সের ওমর ফারুক জানান, দীর্ঘ দিন ব্যবসায়ে মন্দা ছিল। একটু পরিবর্তন হয়েছে। এখন টুকটাক যে কাজ হচ্ছে তাতে দর্জি শ্রমিকদের মোটামুটি চলছে। কিছু অর্ডার হচ্ছে। রেডমিট কাপড়ের প্রভাবে কাজ অনেকটা কমে গেছে বলে তিনি জানান। নাগরিক, অধরা, ফ্যাব্রিক প্লাস, ওয়েস্টার্ন ইন, সুমন, সাজকো, এ্যাবকো, পিস ফ্যাব্রিক্স, হলিউড টেইলার্স এ্যান্ড ক্লথ স্টোরের মালিক - কর্মচারীরা বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ওয়ার্ডার বাড়বে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনায় ঈদের বাজার জমেনি, ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেবে টেইলার্স ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
দেখতে দেখতে ৮ রোজা পার হয়ে গেল। এখনোও খুলনায় ঈদের বাজার জমে ওঠেনি। বিগত বছর গুলোতে এই সময় টেইলার্সে বেশ ভীড় থাকলেও এ বছরের দৃশ্য ব্যতিক্রম। তৈরি পোশাকের দখলে বাজার চলে যাওয়ায় মার খাচ্ছে টেইলার্স গুলো। গার্মেন্টসের শার্ট প্যান্ট যে দামে পাওয়া যায়, ঔই একই পোশাক কাপড় কিনে তৈরি করতে গেলে খরচ হয় দ্ধিগুন। এ কারনেই ঈদ উপলক্ষে ক্রেতারা শিট কাপড় ও টেইলার্সের দিকে না ঝুকে তৈরি পোশাকের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। ফলে খুলনার টেইলার্স মালিকরা খুবই হতাশ হয়ে পড়েছে। অনেক টেইলার্স মালিক ২৫ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়ার কথা জানিয়েছে। কেউ কেউ ২৯ রোজা পর্যন্ত অর্ডার নেবেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীরা বেতন- বোনাস পেলে মার্কেটে আসবেন। ফলে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ব্যবসা ভালো হবে বলে তাদের ধারনা। গতদিন খুলনার আখতার চেম্বার, হাজী মালেক চেম্বার, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স, রেলওয়ে বিপনি বিতান, নিউ মার্কেট সহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এ তথ্য জানাগেছে। আখতার চেম্বার মার্কেটে অবস্থিত স্টুডেন্ট টেইলার্সের ম্যানেজার অশোখ হালদার জানান, ঈদের ওর্ডার শুরু হয়েছে। কিন্তু খরিদদারের সংখ্যা খুব কম। তবে মাসের শেষে কিছু অর্ডার বাড়বে। চাকুরিজীবীরা মাস শেষে বেতন ও ঈদ বোনাস পাবেন। তখন কাজ ডবল হবে। তিনি বলেন, আগের তুলনায় কাজ বেড়েছে। ঈদের এক সপ্তাহ আগে অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বিগত দিনগুলোতে ১০/১৫ রমজানের মধ্যে ওয়ার্ডের নেওয়া বন্ধ হয়ে যেত। মাসের মধ্যম সময় থেকে রোজা শুরু হওয়ার কারনে কাজ কিছুটা কমে গেছে। তাছাড়া অনেকেই ঝামেলা এড়াতে গামেন্টসের রেডিমেট পোশাকের দিকে ঝুকছে। একারনে কাজ অনেকটা কমে গেছে। তবে শার্ট ও প্যান্ট পিসের দাম বেড়েছে। শার্টের মজুরি পাচশ এবং প্যান্টের মজুরি ছয়শ টাকা। গত তিন বছর ধরে একই দাম নির্ধারিত রয়েছে। এ্যাবকো ক্লথ স্টোরের মালিক জাভেদ জানান, বেচাকেনা মোটামুটি বেড়েছে। সিট কাপড়ের দাম বেড়েছে কিনা জানতে চাইলে প্রথমে সম্মতি প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে অস্বীকার করেন। তার দোকান চায়না এবং ইন্ডিয়ান কাপড়ের সরবরাহ বেশি। তবে এবছর পাকিস্তানি কিছু কাপড় উঠানো হয়েছে। ঈদে পাঞ্জাবির কাপড় বেশ চলছে। কাবলীর জন্য পাকিস্তানি কাপড়ের সাড়া পড়েছে। সব বয়সী ক্রেতা আসছে তার দোকানে। বিসমিল্লাহ ক্লথ স্টোরের কর্মচারি সুভাষ কুমার রায় বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাপড় বিক্রির পরিমান একটু বেড়েছে। সবেমাত্র ৯ টি রমজান অতিবাহিত হচ্ছে। ক্রেতারা আসছেন কিন্তু তারা দেখে চলে যাচ্ছেন। মাস শেষে বেতন বোনাস পেলে এখানে আসবেন এবং কাপড় কিনবেন। হাজী মালেক চেম্বারের বস টেইলার্সের ওমর ফারুক জানান, দীর্ঘ দিন ব্যবসায়ে মন্দা ছিল। একটু পরিবর্তন হয়েছে। এখন টুকটাক যে কাজ হচ্ছে তাতে দর্জি শ্রমিকদের মোটামুটি চলছে। কিছু অর্ডার হচ্ছে। রেডমিট কাপড়ের প্রভাবে কাজ অনেকটা কমে গেছে বলে তিনি জানান। নাগরিক, অধরা, ফ্যাব্রিক প্লাস, ওয়েস্টার্ন ইন, সুমন, সাজকো, এ্যাবকো, পিস ফ্যাব্রিক্স, হলিউড টেইলার্স এ্যান্ড ক্লথ স্টোরের মালিক - কর্মচারীরা বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ওয়ার্ডার বাড়বে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত