চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কোচিং সেন্টারের পরিচালকে গণপিটুনি দিলো জনতা

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
কোচিং সেন্টারের পরিচালকে গণপিটুনি দিলো জনতা
  রাজশাহী নগরীতে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক কোচিং সেন্টার পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হরগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আহাদুজ্জামান নাজিম ওই এলাকার একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক। তিনি রাজশাহীর একটি ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কোচিং সেন্টারে পড়ানোর সময় একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত সেখানে ছুটে যান। পরে তারা অভিযুক্তকে আটক করে মারধর করে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের দাবি, এর আগেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফরহাদ আলী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে আটক রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় অভিভাবকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি ।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


কোচিং সেন্টারের পরিচালকে গণপিটুনি দিলো জনতা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
  রাজশাহী নগরীতে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক কোচিং সেন্টার পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হরগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আহাদুজ্জামান নাজিম ওই এলাকার একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক। তিনি রাজশাহীর একটি ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কোচিং সেন্টারে পড়ানোর সময় একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত সেখানে ছুটে যান। পরে তারা অভিযুক্তকে আটক করে মারধর করে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের দাবি, এর আগেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফরহাদ আলী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে আটক রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় অভিভাবকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি ।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত