বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

কালীগঞ্জে আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
কালীগঞ্জে আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামালপুর ইউনিয়নের বিনিরাইল (কাপাইস) গ্রামে আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পৌষ মাসের মাছের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও গাজীপুর, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ থেকে হাজারো মানুষ মেলায় অংশগ্রহণ করেছে।

তিন শতাধিক ব্যবসায়ী মেলায় রুই, কাতল, চিতল, বাগাড়, আইড়, বোয়াল, কালবাউশ, পাবদা, গুলসা, গলদা চিংড়ি, বাইম, ইলিশ, কাইক্কা, রূপচাঁদা মাছসহ পাখিমাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন। এছাড়া মিষ্টি, ফল, খেলনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে।

মেলা আয়োজন কমিটির সভাপতি মো. আলী হোসেন জানান, এটি মূলত পৌষ মেলা হিসেবে শুরু হলেও পরে জামাই মেলা এবং মাছের মেলা নামে পরিচিতি পেয়েছে। মেলায় জামালপুর ইউনিয়নসহ আশপাশের গ্রামের শ্বশুররা জামাইদের নিয়ে উপস্থিত হন। এই মেলায় জামাইদের বড় মাছ কেনার প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় ঐতিহ্যগত আনন্দ-উৎসব চলে।

মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৯ ফুট লম্বা ও ৯২ কেজি ওজনের পাখি মাছ। মেলা সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলেছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম কামরুল ইসলাম জানান, “পুরনো এই মেলাকে ঘিরে নানা কথাবার্তা থাকলেও এটি চিরায়ত বাংলার রূপ ফুটিয়ে তোলে। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ মেলায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।”

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


কালীগঞ্জে আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামালপুর ইউনিয়নের বিনিরাইল (কাপাইস) গ্রামে আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পৌষ মাসের মাছের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও গাজীপুর, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ থেকে হাজারো মানুষ মেলায় অংশগ্রহণ করেছে।

তিন শতাধিক ব্যবসায়ী মেলায় রুই, কাতল, চিতল, বাগাড়, আইড়, বোয়াল, কালবাউশ, পাবদা, গুলসা, গলদা চিংড়ি, বাইম, ইলিশ, কাইক্কা, রূপচাঁদা মাছসহ পাখিমাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন। এছাড়া মিষ্টি, ফল, খেলনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে।

মেলা আয়োজন কমিটির সভাপতি মো. আলী হোসেন জানান, এটি মূলত পৌষ মেলা হিসেবে শুরু হলেও পরে জামাই মেলা এবং মাছের মেলা নামে পরিচিতি পেয়েছে। মেলায় জামালপুর ইউনিয়নসহ আশপাশের গ্রামের শ্বশুররা জামাইদের নিয়ে উপস্থিত হন। এই মেলায় জামাইদের বড় মাছ কেনার প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় ঐতিহ্যগত আনন্দ-উৎসব চলে।

মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৯ ফুট লম্বা ও ৯২ কেজি ওজনের পাখি মাছ। মেলা সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলেছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম কামরুল ইসলাম জানান, “পুরনো এই মেলাকে ঘিরে নানা কথাবার্তা থাকলেও এটি চিরায়ত বাংলার রূপ ফুটিয়ে তোলে। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ মেলায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।”


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত