২০২৫–২০২৬ অর্থ বছরের জন্য সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা ২০২৩-এর আওতায় গঠিত জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন, সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক (বর্তমান সাধারণ সম্পাদক) মো. ওবায়দুল হক মিলন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনের কোনো পর্যায়ের কর্মী বা সংগঠক সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি কিংবা মনিটরিং কমিটির সদস্য হতে পারেন না। নীতিগত এই অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাঁকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নকল্পে জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মো. ওবায়দুল হক মিলন আরও জানান, বিষয়টি জানিয়ে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন এবং তাঁর অপারগতার কথা স্পষ্টভাবে অবহিত করেছেন। কিন্তু এরপরও তাঁর নাম কমিটির তালিকায় বহাল থাকায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আবেদনের মাধ্যমে তিনি জেলা প্রশাসক ও কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নকল্পে জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতির কাছে তাঁকে উক্ত কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড, সুনামগঞ্জ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ও জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মামুন হাওলাদারসহ শান্তিগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
২০২৫–২০২৬ অর্থ বছরের জন্য সংশোধিত কাবিটা নীতিমালা ২০২৩-এর আওতায় গঠিত জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন, সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক (বর্তমান সাধারণ সম্পাদক) মো. ওবায়দুল হক মিলন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনের কোনো পর্যায়ের কর্মী বা সংগঠক সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি কিংবা মনিটরিং কমিটির সদস্য হতে পারেন না। নীতিগত এই অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাঁকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নকল্পে জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মো. ওবায়দুল হক মিলন আরও জানান, বিষয়টি জানিয়ে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন এবং তাঁর অপারগতার কথা স্পষ্টভাবে অবহিত করেছেন। কিন্তু এরপরও তাঁর নাম কমিটির তালিকায় বহাল থাকায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আবেদনের মাধ্যমে তিনি জেলা প্রশাসক ও কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নকল্পে জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতির কাছে তাঁকে উক্ত কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড, সুনামগঞ্জ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ও জেলা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মামুন হাওলাদারসহ শান্তিগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।
