চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কক্সবাজার শহরের রাস্তা–ফুটপাত হকারদের দখলে, চরম ভোগান্তিতে পথচারীরা

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
কক্সবাজার শহরের রাস্তা–ফুটপাত হকারদের দখলে, চরম ভোগান্তিতে পথচারীরা
পর্যটন নগরীজুড়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসেছে ভ্রাম্যমাণ হকাররা। ফলে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়ে প্রতিদিনই দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের উদ্যোগ থাকলেও বাস্তবে তেমন পরিবর্তন চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দেখা যায়—ফুটপাতের প্রায় পুরোটা জুড়েই বসানো হয়েছে অস্থায়ী দোকান। কোথাও কাপড়, কোথাও ফল, আবার কোথাও ফাস্টফুডের স্টল। এতে বাধ্য হয়ে পথচারীদের সড়কে নেমে চলাচল করতে হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাশেদ বলেন,“ফুটপাত তো হাঁটার জন্য, কিন্তু এখন সেটাই বাজার হয়ে গেছে। প্রতিদিন অফিসে যাওয়া–আসায় ভীষণ সমস্যায় পড়ি। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলে গাড়ির ধাক্কা লাগার ভয় থাকে।” এক নারী পথচারী জানান, “শিশু নিয়ে বের হলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়। হকারদের কারণে জায়গা থাকে না, আবার সড়কে নামলে গাড়ির চাপ। নিরাপদে হাঁটার সুযোগ নেই।” এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও হকাররা আবার ফিরে আসে। কক্সবাজার পৌরসভা–এর এক কর্মকর্তা জানান, “আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে চেষ্টা করছি। তবে বিকল্প পুনর্বাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান কঠিন। এ বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।” সচেতন মহলের মতে, পর্যটন নির্ভর শহর হিসেবে পরিচ্ছন্ন ও চলাচলযোগ্য ফুটপাত নিশ্চিত করা জরুরি। নইলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক দু’পক্ষই ভোগান্তির শিকার হবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুসংগঠিত হকার জোন নির্ধারণ, নিয়মিত মনিটরিং এবং কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। বাংলাদেশ–এর অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে শহরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সবাই।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


কক্সবাজার শহরের রাস্তা–ফুটপাত হকারদের দখলে, চরম ভোগান্তিতে পথচারীরা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
পর্যটন নগরীজুড়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসেছে ভ্রাম্যমাণ হকাররা। ফলে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়ে প্রতিদিনই দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের উদ্যোগ থাকলেও বাস্তবে তেমন পরিবর্তন চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দেখা যায়—ফুটপাতের প্রায় পুরোটা জুড়েই বসানো হয়েছে অস্থায়ী দোকান। কোথাও কাপড়, কোথাও ফল, আবার কোথাও ফাস্টফুডের স্টল। এতে বাধ্য হয়ে পথচারীদের সড়কে নেমে চলাচল করতে হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাশেদ বলেন,“ফুটপাত তো হাঁটার জন্য, কিন্তু এখন সেটাই বাজার হয়ে গেছে। প্রতিদিন অফিসে যাওয়া–আসায় ভীষণ সমস্যায় পড়ি। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলে গাড়ির ধাক্কা লাগার ভয় থাকে।” এক নারী পথচারী জানান, “শিশু নিয়ে বের হলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়। হকারদের কারণে জায়গা থাকে না, আবার সড়কে নামলে গাড়ির চাপ। নিরাপদে হাঁটার সুযোগ নেই।” এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও হকাররা আবার ফিরে আসে। কক্সবাজার পৌরসভা–এর এক কর্মকর্তা জানান, “আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে চেষ্টা করছি। তবে বিকল্প পুনর্বাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান কঠিন। এ বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।” সচেতন মহলের মতে, পর্যটন নির্ভর শহর হিসেবে পরিচ্ছন্ন ও চলাচলযোগ্য ফুটপাত নিশ্চিত করা জরুরি। নইলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক দু’পক্ষই ভোগান্তির শিকার হবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুসংগঠিত হকার জোন নির্ধারণ, নিয়মিত মনিটরিং এবং কঠোর আইন প্রয়োগ ছাড়া এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। বাংলাদেশ–এর অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে শহরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সবাই।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত