কক্সবাজারে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম-এর প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এর হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটির বিশেষায়িত এ ওয়ার্ডে ৩৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে, যার মধ্যে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১১ জন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে জেলায় হামের সংক্রমণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশিরভাগই তীব্র জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে আসছে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জানান, “আমাদের হাম ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আজ নতুন করে ১১ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। মৃত শিশুটি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে এসেছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি রোগীদের সেবা দিতে, তবে সংক্রমণের হার এভাবে বাড়তে থাকলে ওয়ার্ডের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।”
জেলায় হামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম-এর প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এর হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটির বিশেষায়িত এ ওয়ার্ডে ৩৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে, যার মধ্যে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১১ জন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে জেলায় হামের সংক্রমণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশিরভাগই তীব্র জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে আসছে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জানান, “আমাদের হাম ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আজ নতুন করে ১১ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। মৃত শিশুটি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে এসেছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি রোগীদের সেবা দিতে, তবে সংক্রমণের হার এভাবে বাড়তে থাকলে ওয়ার্ডের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।”
জেলায় হামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
