ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘লাইট অফ কুরআন’ ও ‘দ্যা আলকেমিস্ট নেটওয়ার্ক’ এর যৌথ উদ্যোগে ‘আত্মপরিচয়ের শিকড়’ মুসলিম লিগ্যাসি সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। আল কুরআন এ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ.বা.ম. সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এছাড়া আলোচক ছিলেন শাইখ মোখতার আহমাদ ও লেখক ইমরান রাইহান। অনুষ্ঠানে আল কুরআন এ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষকরা এবং কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম আশরাফ উদ্দীন খানসহ তিন শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে বক্তারা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। লেখক ইমরান রাইহান বলেন, “তথ্য পেতে পারা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তথ্যকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে কাজে লাগানো তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমা ইতিহাস জীবন্ত, আমাদের ইতিহাস মৃত। আমাদের ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারি না, অথচ তাদের ইতিহাস বর্তমানের সঙ্গে মিলিয়ে পড়া হয়।”
শাইখ মোখতার আহমাদ বলেন, “শুধু ইলম (জ্ঞান) যথেষ্ট নয়, ইলমের সঙ্গে হিকমাহ (প্রজ্ঞা) যুক্ত হলে তা মানুষের অন্তর পরিবর্তন করে। আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক থাকলে অন্তরে নূর আসে। আমরা আমাদের আসল পরিচয় ভুলে পশ্চিমা চিন্তাধারায় প্রভাবিত হয়েছি। প্রকৃত সুখ আল্লাহর আনুগত্যে, উম্মাহ গঠনের জন্য দরকার দরদ, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধ। সত্যবাদিতা ও আমানতদারিতা একজন মুমিনের আসল পরিচয়।”
বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মূলত বলেছিলেন—নিজেকে গড়ো, চরিত্র ঠিক করো, লক্ষ্য আখিরাতমুখী করো, ধারাবাহিক থাকো।
তারা উদাহরণ হিসেবে হজরত ওমর (রা.), মুসা (আ.) ও আবু বকর (রা.) এর জীবন উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা ও দায়বদ্ধতা একজন মুমিনের চরিত্রের মূল ভিত্তি।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘লাইট অফ কুরআন’ ও ‘দ্যা আলকেমিস্ট নেটওয়ার্ক’ এর যৌথ উদ্যোগে ‘আত্মপরিচয়ের শিকড়’ মুসলিম লিগ্যাসি সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। আল কুরআন এ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ.বা.ম. সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এছাড়া আলোচক ছিলেন শাইখ মোখতার আহমাদ ও লেখক ইমরান রাইহান। অনুষ্ঠানে আল কুরআন এ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষকরা এবং কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম আশরাফ উদ্দীন খানসহ তিন শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে বক্তারা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। লেখক ইমরান রাইহান বলেন, “তথ্য পেতে পারা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তথ্যকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে কাজে লাগানো তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমা ইতিহাস জীবন্ত, আমাদের ইতিহাস মৃত। আমাদের ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারি না, অথচ তাদের ইতিহাস বর্তমানের সঙ্গে মিলিয়ে পড়া হয়।”
শাইখ মোখতার আহমাদ বলেন, “শুধু ইলম (জ্ঞান) যথেষ্ট নয়, ইলমের সঙ্গে হিকমাহ (প্রজ্ঞা) যুক্ত হলে তা মানুষের অন্তর পরিবর্তন করে। আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক থাকলে অন্তরে নূর আসে। আমরা আমাদের আসল পরিচয় ভুলে পশ্চিমা চিন্তাধারায় প্রভাবিত হয়েছি। প্রকৃত সুখ আল্লাহর আনুগত্যে, উম্মাহ গঠনের জন্য দরকার দরদ, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধ। সত্যবাদিতা ও আমানতদারিতা একজন মুমিনের আসল পরিচয়।”
বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মূলত বলেছিলেন—নিজেকে গড়ো, চরিত্র ঠিক করো, লক্ষ্য আখিরাতমুখী করো, ধারাবাহিক থাকো।
তারা উদাহরণ হিসেবে হজরত ওমর (রা.), মুসা (আ.) ও আবু বকর (রা.) এর জীবন উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা ও দায়বদ্ধতা একজন মুমিনের চরিত্রের মূল ভিত্তি।
