চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

‘আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে’ ব্যাপক শিলাবৃষ্টি, ক্ষতির আশঙ্কায় চাষিরা

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
‘আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে’ ব্যাপক শিলাবৃষ্টি, ক্ষতির আশঙ্কায় চাষিরা
মৌসুমের শুরুতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাণ্ডব চালিয়েছে আকস্মিক শিলাবৃষ্টি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলা সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বড় আকারের শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। হঠাৎ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আম চাষি ও কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ করেই কালো মেঘে ঢেকে যায় জেলার আকাশ। এর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি। স্থানীয়রা জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর, শ্যামপুর, কানসাট ও চককীর্তিসহ বেশ কিছু ইউনিয়নে শিলার তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা সদরেও বৃষ্টি ও শিলা শুরু হয়।   বর্তমানে আমগাছগুলোতে আমের গুটি বড় হতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় বড় আকারের শিলা পড়ায় গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে গুটি আম ঝরে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। আম চাষিরা জানান, শিলার আঘাতে আমে দাগ পড়ে যায় এবং পচন ধরার আশঙ্কা থাকে, যা ফলন বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। এছাড়া বোরো ধান, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসলেরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন মাঠপর্যায়ের কৃষকরা। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া জানান, দুপুরের পর উপজেলার বিনোদপুর, শ্যামপুর, কানসাট, চককীর্তিসহ কয়েকটি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। শিলার আকারও কোন কোন জায়গায় বড় ছিল। এতে ফল ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই বৃষ্টিতে বোরো ধান ও পাট ক্ষেতের জন্য উপকার হয়েছে। কারণ বোরো ধান ও পাট খেতে সেচের প্রয়োজন ছিল। তবে শিলাবৃষ্টির কারণে আমের ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছেন। তথ্য সংগ্রহ শেষে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যাবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনাইন বিন জামান জানান, বেশ কিছু এলাকা থেকে শিলাবৃষ্টিতে আমের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. ইয়াসিন আলী জানান, পুরো জেলাজুড়েই হালকা বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে কাটা গম বাদে সব ফসলের জন্যই ভালো হয়েছে। তবে শিবগঞ্জে সবচেয়ে বেশি শিলাবৃষ্টি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


‘আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে’ ব্যাপক শিলাবৃষ্টি, ক্ষতির আশঙ্কায় চাষিরা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
মৌসুমের শুরুতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাণ্ডব চালিয়েছে আকস্মিক শিলাবৃষ্টি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলা সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বড় আকারের শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। হঠাৎ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আম চাষি ও কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ করেই কালো মেঘে ঢেকে যায় জেলার আকাশ। এর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি। স্থানীয়রা জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর, শ্যামপুর, কানসাট ও চককীর্তিসহ বেশ কিছু ইউনিয়নে শিলার তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা সদরেও বৃষ্টি ও শিলা শুরু হয়।   বর্তমানে আমগাছগুলোতে আমের গুটি বড় হতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় বড় আকারের শিলা পড়ায় গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে গুটি আম ঝরে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। আম চাষিরা জানান, শিলার আঘাতে আমে দাগ পড়ে যায় এবং পচন ধরার আশঙ্কা থাকে, যা ফলন বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। এছাড়া বোরো ধান, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসলেরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন মাঠপর্যায়ের কৃষকরা। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া জানান, দুপুরের পর উপজেলার বিনোদপুর, শ্যামপুর, কানসাট, চককীর্তিসহ কয়েকটি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। শিলার আকারও কোন কোন জায়গায় বড় ছিল। এতে ফল ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই বৃষ্টিতে বোরো ধান ও পাট ক্ষেতের জন্য উপকার হয়েছে। কারণ বোরো ধান ও পাট খেতে সেচের প্রয়োজন ছিল। তবে শিলাবৃষ্টির কারণে আমের ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছেন। তথ্য সংগ্রহ শেষে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যাবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনাইন বিন জামান জানান, বেশ কিছু এলাকা থেকে শিলাবৃষ্টিতে আমের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. ইয়াসিন আলী জানান, পুরো জেলাজুড়েই হালকা বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে কাটা গম বাদে সব ফসলের জন্যই ভালো হয়েছে। তবে শিবগঞ্জে সবচেয়ে বেশি শিলাবৃষ্টি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত