ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক জশনে জুলুসে অংশ নেন হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ।
বুধবার সকালে উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের উদ্যোগে জামিয়া মতিনিয়া সুন্নীয়া আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে জশনে জুলুসটি বের হয়। উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি পীরজাদা মাওলানা রিয়াজুল করিম আলকাদরীর নেতৃত্বে জুলুসটি নাসিরনগর উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
জুলুসে বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, দরবার শরীফের পীর-মাশায়েখসহ কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। শিশু থেকে প্রবীণ—বিভিন্ন বয়সী মানুষের হাতে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা। হামদ-নাত ও দরুদের সুরে মুখর হয়ে ওঠে পুরো উপজেলা সদর।
পরে আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি পীরজাদা মাওলানা রিয়াজুল করিম আলকাদরীর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আশরাফুল আজিজ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান। বক্তব্যে তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, মানবতার কল্যাণে তাঁর দিকনির্দেশনা ও শিক্ষা দৈনন্দিন জীবনে ধারণের আহ্বান জানান।
সভায় বিভিন্ন দরবার শরীফের পীর-মাশায়েখ, আলেম-ওলামা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। এ সময় নাসিরপুর সাহেব বাড়ীর গদিনিশিন পীর আলহাজ সৈয়দ আবুল মুজাররাদ আশিক বিল্লাহ, পীরজাদা মাওলানা মুস্তাক আহমেদ, অ্যাডভোকেট আলী আজম চৌধুরী, পীরজাদা মাওলানা কাজী আলাউদ্দিন আহমেদ আলকাদরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পরে মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রধান উপদেষ্টা পীরজাদা মাওলানা কাজী আলাউদ্দিন আহমেদ আলকাদরী।
এদিকে সুন্নিয়াত প্রচার ও প্রসারে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জনকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক জশনে জুলুসে অংশ নেন হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ।
বুধবার সকালে উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের উদ্যোগে জামিয়া মতিনিয়া সুন্নীয়া আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে জশনে জুলুসটি বের হয়। উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি পীরজাদা মাওলানা রিয়াজুল করিম আলকাদরীর নেতৃত্বে জুলুসটি নাসিরনগর উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
জুলুসে বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, দরবার শরীফের পীর-মাশায়েখসহ কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। শিশু থেকে প্রবীণ—বিভিন্ন বয়সী মানুষের হাতে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা। হামদ-নাত ও দরুদের সুরে মুখর হয়ে ওঠে পুরো উপজেলা সদর।
পরে আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি পীরজাদা মাওলানা রিয়াজুল করিম আলকাদরীর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আশরাফুল আজিজ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান। বক্তব্যে তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, মানবতার কল্যাণে তাঁর দিকনির্দেশনা ও শিক্ষা দৈনন্দিন জীবনে ধারণের আহ্বান জানান।
সভায় বিভিন্ন দরবার শরীফের পীর-মাশায়েখ, আলেম-ওলামা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। এ সময় নাসিরপুর সাহেব বাড়ীর গদিনিশিন পীর আলহাজ সৈয়দ আবুল মুজাররাদ আশিক বিল্লাহ, পীরজাদা মাওলানা মুস্তাক আহমেদ, অ্যাডভোকেট আলী আজম চৌধুরী, পীরজাদা মাওলানা কাজী আলাউদ্দিন আহমেদ আলকাদরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পরে মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রধান উপদেষ্টা পীরজাদা মাওলানা কাজী আলাউদ্দিন আহমেদ আলকাদরী।
এদিকে সুন্নিয়াত প্রচার ও প্রসারে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জনকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছে।
