রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ-এ ৬০ মেট্রিক টন কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার ৬ মে রাঙামাটি বিএফডিসি ঘাটে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলেদের কল্যাণে নানা উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি জানান, কাপ্তাই হ্রদে নিবন্ধিত প্রায় ২৭ হাজার জেলেকে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। এ সময় সরকার জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়, তাই সবাইকে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, কাপ্তাই হ্রদ দেশের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির কৃত্রিম জলাধার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাই প্রতি বছর তিন মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ রাখা হয়, যাতে মাছের প্রজনন নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র জানান, কাপ্তাই চ্যানেল ও কাচালং নদীতে পলি জমার কারণে মাছের অভয়াশ্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ কর্মসূচিতে বিজিবি, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমের ৯ মাসে কাপ্তাই হ্রদ থেকে প্রায় ৯,৯৭১ মেট্রিক টন মাছ আহরণ হয়েছে। এ থেকে সরকার প্রায় ২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করেছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ-এ ৬০ মেট্রিক টন কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার ৬ মে রাঙামাটি বিএফডিসি ঘাটে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলেদের কল্যাণে নানা উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি জানান, কাপ্তাই হ্রদে নিবন্ধিত প্রায় ২৭ হাজার জেলেকে পর্যায়ক্রমে কৃষি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। এ সময় সরকার জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়, তাই সবাইকে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, কাপ্তাই হ্রদ দেশের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির কৃত্রিম জলাধার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাই প্রতি বছর তিন মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ রাখা হয়, যাতে মাছের প্রজনন নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র জানান, কাপ্তাই চ্যানেল ও কাচালং নদীতে পলি জমার কারণে মাছের অভয়াশ্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ কর্মসূচিতে বিজিবি, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমের ৯ মাসে কাপ্তাই হ্রদ থেকে প্রায় ৯,৯৭১ মেট্রিক টন মাছ আহরণ হয়েছে। এ থেকে সরকার প্রায় ২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করেছে।
