দেশে হামের সংক্রমণ ক্রমেই উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলেও রোগটির বিস্তার কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আক্রান্ত পরিবারগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ বা উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হলেও সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, হামের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি-কাশি এবং শরীরে লালচে দানা বা র্যাশ দেখা যায়। সময়মতো চিকিৎসা ও টিকা না নিলে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে পুষ্টিহীন শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, শিশুদের শরীরে জ্বরের সঙ্গে দানা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে। পাশাপাশি যারা এখনও টিকা নেয়নি, তাদের দ্রুত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশে হামের সংক্রমণ ক্রমেই উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলেও রোগটির বিস্তার কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আক্রান্ত পরিবারগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ বা উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হলেও সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, হামের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি-কাশি এবং শরীরে লালচে দানা বা র্যাশ দেখা যায়। সময়মতো চিকিৎসা ও টিকা না নিলে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে পুষ্টিহীন শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, শিশুদের শরীরে জ্বরের সঙ্গে দানা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে। পাশাপাশি যারা এখনও টিকা নেয়নি, তাদের দ্রুত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
