কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বাঁশেরতল বাজার এলাকায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭ জনে দাঁড়িয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাগলার হাট এলাকার ঢলডাঙ্গা থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন যাত্রী রংপুর থেকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নাগেশ্বরীর বাঁশেরতল বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
দুর্ঘটনায় আহতদের প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ও প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বাঁশেরতল বাজার এলাকায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭ জনে দাঁড়িয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাগলার হাট এলাকার ঢলডাঙ্গা থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন যাত্রী রংপুর থেকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নাগেশ্বরীর বাঁশেরতল বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
দুর্ঘটনায় আহতদের প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ও প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে।
