নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমি দখল নিয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি আবু সাঈদ অপু।
রোববার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ওরফে গ্রেনেড বাবুর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিক ও তার ক্যামেরাম্যানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান বাজার এলাকায় ১৫ শতক রাস্তার পাশে এবং ২৫ শতক পুকুরসহ মোট ৪০ শতক সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পূর্বে সংবাদ প্রকাশ হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।
হামলার শিকার সাংবাদিক আবু সাঈদ অপু বলেন, অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ শেষে ফেরার সময় হঠাৎ করে চেয়ারম্যানের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা ক্যামেরা, লেন্স এবং লাইভ সম্প্রচার যন্ত্রপাতি ছিনিয়ে নেয় এবং ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় ক্যামেরাম্যান তাজুল ইসলামসহ দুজন আহত হন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া করলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শী মিনারুল ইসলাম বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।
কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাব ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আল আমিনও এ ঘটনার নিন্দা ও দ্রুত বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকারি খাস জমি দখল ও সাংবাদিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমি দখল নিয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি আবু সাঈদ অপু।
রোববার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ওরফে গ্রেনেড বাবুর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিক ও তার ক্যামেরাম্যানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান বাজার এলাকায় ১৫ শতক রাস্তার পাশে এবং ২৫ শতক পুকুরসহ মোট ৪০ শতক সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পূর্বে সংবাদ প্রকাশ হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।
হামলার শিকার সাংবাদিক আবু সাঈদ অপু বলেন, অনুসন্ধানী তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ শেষে ফেরার সময় হঠাৎ করে চেয়ারম্যানের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা ক্যামেরা, লেন্স এবং লাইভ সম্প্রচার যন্ত্রপাতি ছিনিয়ে নেয় এবং ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় ক্যামেরাম্যান তাজুল ইসলামসহ দুজন আহত হন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া করলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শী মিনারুল ইসলাম বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।
কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাব ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আল আমিনও এ ঘটনার নিন্দা ও দ্রুত বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকারি খাস জমি দখল ও সাংবাদিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
