শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

দুই বিশ্বযুদ্ধ দেখেছেন

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী এথেল ক্যাটারহ্যাম

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী এথেল ক্যাটারহ্যাম
২০২৫ সালে নিজের ১১৬তম জন্মদিনে রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এথেল। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি এথেল ক্যাটারহ্যাম ১১৭তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের সারে কাউন্টির লাইটওয়াটারে অবস্থিত হলমার্ক লেকভিউ কেয়ার হোমে পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে বিশেষ দিনটি উদযাপন করেন তিনি।

২০২৫ সালের এপ্রিলে ১১৬ বছর বয়সে ব্রাজিলের স্টিটার ইনা কানাবারো লুকাসের মৃত্যুর পর এথেল ক্যাটারহ্যাম বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পান। ১৯০৯ সালে জন্ম নেওয়া এই ব্রিটিশ নারী রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের আমলের সর্বশেষ জীবিত প্রজা।

দীর্ঘ ১১৭ বছরের জীবনে এথেল প্রত্যক্ষ করেছেন বিশ্বের নানা ঐতিহাসিক ঘটনা। এর মধ্যে রয়েছে টাইটানিক দুর্ঘটনা, দুটি বিশ্বযুদ্ধ এবং রুশ বিপ্লব। এছাড়া ২০২০ সালে ১১০ বছর বয়সে কোভিড-১৯ জয় করে বেঁচে ফেরাদের একজন হিসেবেও তিনি আলোচিত হন।

ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারে জন্ম নেওয়া এথেল মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৯২৭ সালে ব্রিটিশ ভারতে আসেন। সেখানে একটি সামরিক পরিবারের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি হংকং ও জিব্রাল্টারেও বসবাস করেন। এমনকি ৯৭ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি গাড়ি চালিয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে এথেল ছিলেন দুই কন্যার মা। তবে তার স্বামী নরম্যান ১৯৭৬ সালে মারা যান এবং দুই কন্যাও তার আগেই পৃথিবী ছেড়ে যান।

দীর্ঘ জীবনের রহস্য হিসেবে এথেল মানসিকভাবে ইতিবাচক থাকা এবং অতিরিক্ত উত্তেজনা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বয়সে বেঁচে থাকার রেকর্ড এখনো ফ্রান্সের জেন ক্যালমেন্টের দখলে। তিনি ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর ১৬৪ দিন বয়সে মারা যান।

#বিশ্বের_সবচেয়ে_বয়স্ক_নারী #এথেল_ক্যাটারহ্যাম #দীর্ঘায়ুর_রহস্য

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী এথেল ক্যাটারহ্যাম

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি এথেল ক্যাটারহ্যাম ১১৭তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের সারে কাউন্টির লাইটওয়াটারে অবস্থিত হলমার্ক লেকভিউ কেয়ার হোমে পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে বিশেষ দিনটি উদযাপন করেন তিনি।

২০২৫ সালের এপ্রিলে ১১৬ বছর বয়সে ব্রাজিলের স্টিটার ইনা কানাবারো লুকাসের মৃত্যুর পর এথেল ক্যাটারহ্যাম বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পান। ১৯০৯ সালে জন্ম নেওয়া এই ব্রিটিশ নারী রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের আমলের সর্বশেষ জীবিত প্রজা।

দীর্ঘ ১১৭ বছরের জীবনে এথেল প্রত্যক্ষ করেছেন বিশ্বের নানা ঐতিহাসিক ঘটনা। এর মধ্যে রয়েছে টাইটানিক দুর্ঘটনা, দুটি বিশ্বযুদ্ধ এবং রুশ বিপ্লব। এছাড়া ২০২০ সালে ১১০ বছর বয়সে কোভিড-১৯ জয় করে বেঁচে ফেরাদের একজন হিসেবেও তিনি আলোচিত হন।

ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারে জন্ম নেওয়া এথেল মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৯২৭ সালে ব্রিটিশ ভারতে আসেন। সেখানে একটি সামরিক পরিবারের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি হংকং ও জিব্রাল্টারেও বসবাস করেন। এমনকি ৯৭ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি গাড়ি চালিয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে এথেল ছিলেন দুই কন্যার মা। তবে তার স্বামী নরম্যান ১৯৭৬ সালে মারা যান এবং দুই কন্যাও তার আগেই পৃথিবী ছেড়ে যান।

দীর্ঘ জীবনের রহস্য হিসেবে এথেল মানসিকভাবে ইতিবাচক থাকা এবং অতিরিক্ত উত্তেজনা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বয়সে বেঁচে থাকার রেকর্ড এখনো ফ্রান্সের জেন ক্যালমেন্টের দখলে। তিনি ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর ১৬৪ দিন বয়সে মারা যান।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত