হান্টা ভাইরাস নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছেন গবেষকরা। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী একটি প্রমোদতরিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ছয়জনের শরীরে হান্টা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভাইরাসের একটি বিশেষ ধরন ‘অ্যান্ডিস স্ট্রেইন’ মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে।
সাধারণত ইঁদুরের মল, মূত্র বা লালা থেকে সংক্রমিত হলেও নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তির লালার মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে। ফলে চুম্বন, একই পানীয় ভাগাভাগি করা কিংবা কাছাকাছি কাশি-হাঁচির মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবারের সদস্যদের তুলনায় যৌন সঙ্গীদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় ১০ গুণ বেশি।
জানা গেছে, দক্ষিণ আমেরিকায় ভ্রমণের সময় দুই ডাচ পর্যটক ইঁদুরের মাধ্যমে সংক্রমিত হন এবং তাদের মাধ্যমে জাহাজের অন্য যাত্রীদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। জাহাজটিতে প্রায় ১৫০ জন আরোহী ছিলেন এবং পথে একজন যাত্রীর মৃত্যু হয়।
তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই পরিস্থিতিকে কোভিড-১৯ মহামারির মতো ভয়াবহ হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায় এবং দ্রুত বিস্তারের ঝুঁকি কম।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং কোয়ারেন্টাইনের মাধ্যমে সহজেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার অ্যান্ড্রু পোলার্ডও বলেছেন, এটি মহামারিতে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
হান্টা ভাইরাস নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছেন গবেষকরা। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী একটি প্রমোদতরিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ছয়জনের শরীরে হান্টা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভাইরাসের একটি বিশেষ ধরন ‘অ্যান্ডিস স্ট্রেইন’ মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে।
সাধারণত ইঁদুরের মল, মূত্র বা লালা থেকে সংক্রমিত হলেও নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তির লালার মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে। ফলে চুম্বন, একই পানীয় ভাগাভাগি করা কিংবা কাছাকাছি কাশি-হাঁচির মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবারের সদস্যদের তুলনায় যৌন সঙ্গীদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় ১০ গুণ বেশি।
জানা গেছে, দক্ষিণ আমেরিকায় ভ্রমণের সময় দুই ডাচ পর্যটক ইঁদুরের মাধ্যমে সংক্রমিত হন এবং তাদের মাধ্যমে জাহাজের অন্য যাত্রীদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। জাহাজটিতে প্রায় ১৫০ জন আরোহী ছিলেন এবং পথে একজন যাত্রীর মৃত্যু হয়।
তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই পরিস্থিতিকে কোভিড-১৯ মহামারির মতো ভয়াবহ হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায় এবং দ্রুত বিস্তারের ঝুঁকি কম।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং কোয়ারেন্টাইনের মাধ্যমে সহজেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার অ্যান্ড্রু পোলার্ডও বলেছেন, এটি মহামারিতে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
