বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা খবরদারি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং এখানে কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা গ্রহণযোগ্য নয়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ইরান এমন একটি ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছে যেখানে জাহাজ চলাচলের জন্য তাদের অনুমতি নিতে হবে এবং শর্তসাপেক্ষে অর্থ প্রদান করতে হতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এক ধরনের জবরদস্তি।
রুবিও আরও বলেন, কোনো দেশই আন্তর্জাতিক জলপথের মালিক হতে পারে না বা অন্য দেশের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর আগে ইরান ইঙ্গিত দিয়েছিল যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতা হলে তারা প্রণালি পুনরায় সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, আন্তর্জাতিক জলপথ কোনো রাজনৈতিক শর্ত বা নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা যাবে না।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা খবরদারি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং এখানে কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা গ্রহণযোগ্য নয়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ইরান এমন একটি ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছে যেখানে জাহাজ চলাচলের জন্য তাদের অনুমতি নিতে হবে এবং শর্তসাপেক্ষে অর্থ প্রদান করতে হতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এক ধরনের জবরদস্তি।
রুবিও আরও বলেন, কোনো দেশই আন্তর্জাতিক জলপথের মালিক হতে পারে না বা অন্য দেশের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর আগে ইরান ইঙ্গিত দিয়েছিল যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতা হলে তারা প্রণালি পুনরায় সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, আন্তর্জাতিক জলপথ কোনো রাজনৈতিক শর্ত বা নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা যাবে না।
