দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে একটি সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই রাস্তায় রাবিশ মিশ্রিত বালু ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে নিম্নমানের দুই নম্বর ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠলে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।
একপর্যায়ে এলাকাবাসী কাজের স্থানে গিয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার না করা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার দাবি তোলে। এতে নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
গ্রামবাসীরা বলেন, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হলে অল্প সময়ের মধ্যেই এটি নষ্ট হয়ে যাবে, যা জনগণের দুর্ভোগ ও অর্থ অপচয়ের কারণ হবে।
ইউপি সদস্য এনামুল হক জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়ে তিনি সরেজমিনে গিয়ে কাজের মান নিম্নমানের পেয়েছেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করে পুনরায় কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে একটি সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই রাস্তায় রাবিশ মিশ্রিত বালু ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে নিম্নমানের দুই নম্বর ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠলে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।
একপর্যায়ে এলাকাবাসী কাজের স্থানে গিয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার না করা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার দাবি তোলে। এতে নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
গ্রামবাসীরা বলেন, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হলে অল্প সময়ের মধ্যেই এটি নষ্ট হয়ে যাবে, যা জনগণের দুর্ভোগ ও অর্থ অপচয়ের কারণ হবে।
ইউপি সদস্য এনামুল হক জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়ে তিনি সরেজমিনে গিয়ে কাজের মান নিম্নমানের পেয়েছেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করে পুনরায় কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি।
