গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক নারীসহ দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে উভয়ের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া গ্রামের প্রফুল্ল বিশ্বাসের ছেলে উজ্জ্বল বিশ্বাস এবং একই গ্রামের অমৃত বিশ্বাসের স্ত্রী কল্পনা বিশ্বাস। আদালতের রায়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসকে এক লাখ টাকা এবং কল্পনা বিশ্বাসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কল্পনা বিশ্বাস পিঠা তৈরির কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। পরে সেখানে উজ্জ্বল বিশ্বাস তাকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার এক সপ্তাহ পর, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা অনিতা টিকাদার কাশিয়ানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত উভয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর এ মামলার রায় হয়েছে। তার মতে, এ রায় যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেবে এবং আইনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. কদরে আলম খান রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক নারীসহ দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে উভয়ের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া গ্রামের প্রফুল্ল বিশ্বাসের ছেলে উজ্জ্বল বিশ্বাস এবং একই গ্রামের অমৃত বিশ্বাসের স্ত্রী কল্পনা বিশ্বাস। আদালতের রায়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসকে এক লাখ টাকা এবং কল্পনা বিশ্বাসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কল্পনা বিশ্বাস পিঠা তৈরির কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। পরে সেখানে উজ্জ্বল বিশ্বাস তাকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার এক সপ্তাহ পর, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা অনিতা টিকাদার কাশিয়ানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত উভয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর এ মামলার রায় হয়েছে। তার মতে, এ রায় যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেবে এবং আইনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. কদরে আলম খান রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
