সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনের জেল রোড এলাকায় দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতের শেষ ভাগে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ‘বিজয় স্টোর’ এবং ‘এ. হান্নান চৌধুরী’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সন্দেহজনকভাবে মার্কেটের এক পাহারাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।
বিজয় স্টোরের মালিক বিপুল দাশ জানান, রাত ১২টার পর দোকান বন্ধ করে তারা বাসায় চলে যান। এরপর মার্কেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে পাহারাদার নিয়োজিত ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দোকানের ক্যাশ থেকে ১৯ হাজার টাকা, একটি সঞ্চয় বাক্সে থাকা প্রায় ৪৩ হাজার টাকা, কিছু স্বর্ণালংকার এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয়েছে।
তিনি বলেন, রাতে শহরের অনেক মানুষ খেলা দেখার কারণে জেগে ছিলেন। তারপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। আমার সন্দেহ পাহারাদারের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।
একই অভিযোগ করেছেন এ. হান্নান চৌধুরী প্রতিষ্ঠানের মালিক আশফাক চৌধুরী। তিনি জানান, তার দোকান থেকে নগদ প্রায় ৫ হাজার টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া গেছে। চুরির ঘটনায় পাহারাদারের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা এখনো থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পৌর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ চুরির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনের জেল রোড এলাকায় দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতের শেষ ভাগে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ‘বিজয় স্টোর’ এবং ‘এ. হান্নান চৌধুরী’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সন্দেহজনকভাবে মার্কেটের এক পাহারাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।
বিজয় স্টোরের মালিক বিপুল দাশ জানান, রাত ১২টার পর দোকান বন্ধ করে তারা বাসায় চলে যান। এরপর মার্কেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে পাহারাদার নিয়োজিত ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দোকানের ক্যাশ থেকে ১৯ হাজার টাকা, একটি সঞ্চয় বাক্সে থাকা প্রায় ৪৩ হাজার টাকা, কিছু স্বর্ণালংকার এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয়েছে।
তিনি বলেন, রাতে শহরের অনেক মানুষ খেলা দেখার কারণে জেগে ছিলেন। তারপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। আমার সন্দেহ পাহারাদারের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।
একই অভিযোগ করেছেন এ. হান্নান চৌধুরী প্রতিষ্ঠানের মালিক আশফাক চৌধুরী। তিনি জানান, তার দোকান থেকে নগদ প্রায় ৫ হাজার টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া গেছে। চুরির ঘটনায় পাহারাদারের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা এখনো থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পৌর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ চুরির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
