দীর্ঘ প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর সারা দেশে আবার শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একদিনের এই কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বয়সভেদে দুই ধরনের ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, শিশুর হালকা জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া বা অপুষ্টি থাকলেও সাধারণত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিরাপদ।
বাংলাদেশে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচি চালু হয়। পরবর্তী সময়ে এটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয় এবং ২০০৩ সাল থেকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন নামে পরিচালিত হতে থাকে। ২০২৫ সালের মার্চে কার্যক্রমটি বন্ধ হলেও ২০২৬ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর সারা দেশে আবার শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একদিনের এই কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বয়সভেদে দুই ধরনের ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, শিশুর হালকা জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া বা অপুষ্টি থাকলেও সাধারণত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিরাপদ।
বাংলাদেশে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচি চালু হয়। পরবর্তী সময়ে এটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয় এবং ২০০৩ সাল থেকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন নামে পরিচালিত হতে থাকে। ২০২৫ সালের মার্চে কার্যক্রমটি বন্ধ হলেও ২০২৬ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছে।
