সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজন নারীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) রাতে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিহত ফারজানা সুলতানা (৯) কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামের লতিফ উদ্দিনের মেয়ে। সে কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় ফারজানা। ছুটির পরও বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটির সন্ধানে অভিযান চালায়। সন্ধ্যার দিকে বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করা সুমাইয়া (২৬) নামের এক নারীর বসতঘর থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্দেহের ভিত্তিতে ক্ষুব্ধ জনতা সুমাইয়াকে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজন নারীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) রাতে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিহত ফারজানা সুলতানা (৯) কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামের লতিফ উদ্দিনের মেয়ে। সে কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় ফারজানা। ছুটির পরও বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটির সন্ধানে অভিযান চালায়। সন্ধ্যার দিকে বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করা সুমাইয়া (২৬) নামের এক নারীর বসতঘর থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্দেহের ভিত্তিতে ক্ষুব্ধ জনতা সুমাইয়াকে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
