গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে মানসিক চাপে শরিফা ইসলাম (২০) নামে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, পরীক্ষার প্রস্তুতি যথাযথভাবে শেষ না হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।
শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার উনিশিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে শরিফাকে বাড়ির পেছনের একটি গাছের কাছে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান তারা। দ্রুত তাকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শরিফা ইসলাম উনিশিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছিলেন।
শরিফার বোন মাহমুদা খানম জানান, পড়াশোনায় শরিফা ভালো ছিলেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে তার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে এলেও পড়াশোনার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হওয়ায় তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।
ঘটনার পর শরিফার পড়ার টেবিল থেকে পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়ার কথা জানিয়েছে পরিবার। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি শেষ না হওয়া, ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং মা-বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।
শরিফার মৃত্যুর ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ। তিনি জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে মানসিক চাপে শরিফা ইসলাম (২০) নামে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, পরীক্ষার প্রস্তুতি যথাযথভাবে শেষ না হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।
শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার উনিশিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে শরিফাকে বাড়ির পেছনের একটি গাছের কাছে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান তারা। দ্রুত তাকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শরিফা ইসলাম উনিশিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছিলেন।
শরিফার বোন মাহমুদা খানম জানান, পড়াশোনায় শরিফা ভালো ছিলেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে তার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে এলেও পড়াশোনার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হওয়ায় তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।
ঘটনার পর শরিফার পড়ার টেবিল থেকে পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়ার কথা জানিয়েছে পরিবার। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি শেষ না হওয়া, ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং মা-বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।
শরিফার মৃত্যুর ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ। তিনি জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
