চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিজ দোকান থেকে ডেকে বের করে কুপিয়ে জখম করা চা দোকানি মুহাম্মদ শাহাদাত (৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে রোববার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া মডেল মসজিদের সামনে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শাহাদাত উপজেলার উত্তর ঢেমশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ জানায়, শাহাদাতের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া ও নগরের কোতোয়ালি থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা ১০ থেকে ১৫ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও হাতুড়ি নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত শাহাদাতকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর ভোরে তিনি মারা যান।
নিহতের বড় ভাই মোবারক হোসেন এ ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, আমার ভাইকে দোকান থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিজ দোকান থেকে ডেকে বের করে কুপিয়ে জখম করা চা দোকানি মুহাম্মদ শাহাদাত (৩৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে রোববার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া মডেল মসজিদের সামনে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শাহাদাত উপজেলার উত্তর ঢেমশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ জানায়, শাহাদাতের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া ও নগরের কোতোয়ালি থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা ১০ থেকে ১৫ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও হাতুড়ি নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত শাহাদাতকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর ভোরে তিনি মারা যান।
নিহতের বড় ভাই মোবারক হোসেন এ ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, আমার ভাইকে দোকান থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
