বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা এর সিংগড়বুনিয়া গ্রামে সরকারি চামারখালী খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, প্রবহমান এই খালটি স্থানীয় প্রভাবশালীরা বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করায় জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে মৎসজীবীসহ স্থানীয় জনগণের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, খালটি পূর্বে সরকারি অর্থায়নে খনন করা হলেও বর্তমানে আবার দখল হয়ে গেছে। বাঁধের কারণে এলাকার স্কুল ও বসতবাড়িতে পানি ওঠার সমস্যাও দেখা দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি ওহিদুজ্জামান আকু্ঞ্জী দাবি করেন, জনগণের সুবিধার জন্যই বাঁধ দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে খাল দখলের চেষ্টা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, সরকারি খাল দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং পরিবেশ ও নদী-খালের প্রবাহ রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা এর সিংগড়বুনিয়া গ্রামে সরকারি চামারখালী খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, প্রবহমান এই খালটি স্থানীয় প্রভাবশালীরা বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করায় জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে মৎসজীবীসহ স্থানীয় জনগণের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, খালটি পূর্বে সরকারি অর্থায়নে খনন করা হলেও বর্তমানে আবার দখল হয়ে গেছে। বাঁধের কারণে এলাকার স্কুল ও বসতবাড়িতে পানি ওঠার সমস্যাও দেখা দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি ওহিদুজ্জামান আকু্ঞ্জী দাবি করেন, জনগণের সুবিধার জন্যই বাঁধ দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে খাল দখলের চেষ্টা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, সরকারি খাল দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং পরিবেশ ও নদী-খালের প্রবাহ রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
