সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য বিরোধী দলের কাছে ৫ জনের নাম চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী জানান, মোট ১৭ জনের একটি বৃহৎ কাঠামোর মধ্যে ১২ জন ইতোমধ্যে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। বাকি সদস্যদের বিষয়ে বিরোধী দলের সুপারিশের অপেক্ষা করছে সরকার।
এদিকে, এ প্রস্তাব নিয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত না দিয়ে আলোচনা সাপেক্ষে মতামত জানাবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, “আমরা মূলত সংবিধানের সংস্কার চেয়েছি, কিন্তু এখানে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে আরও আলোচনা প্রয়োজন।”
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের পথে এগোতে চায়। প্রয়োজনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পরবর্তী অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেও প্রস্তুত রয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য বিরোধী দলের কাছে ৫ জনের নাম চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী জানান, মোট ১৭ জনের একটি বৃহৎ কাঠামোর মধ্যে ১২ জন ইতোমধ্যে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। বাকি সদস্যদের বিষয়ে বিরোধী দলের সুপারিশের অপেক্ষা করছে সরকার।
এদিকে, এ প্রস্তাব নিয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত না দিয়ে আলোচনা সাপেক্ষে মতামত জানাবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, “আমরা মূলত সংবিধানের সংস্কার চেয়েছি, কিন্তু এখানে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে আরও আলোচনা প্রয়োজন।”
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের পথে এগোতে চায়। প্রয়োজনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পরবর্তী অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেও প্রস্তুত রয়েছে সরকার।
