গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বর্নি জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মাদ্রাসায় জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হওয়ার সংবাদ প্রকাশের একদিনের মধ্যেই পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানীর নির্দেশনায় রোববার সকাল থেকে উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। পরে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে জমে থাকা পানি অপসারণের কাজ শুরু করেন তারা।
সম্প্রতি টানা বর্ষণের ফলে মাদ্রাসার মাঠ ও বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে পানি জমে যায়। বিশেষ করে নূরানী বিভাগের শ্রেণিকক্ষে কোমরসমান পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা, বিছানাপত্র ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ পরিস্থিতিতে টানা তিন দিন শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০ জন নূরানী বিভাগের শিক্ষার্থী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা এতিম ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা এখানে আবাসিক ও অনাবাসিক হিসেবে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম. মুক্তার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুর ইসলাম, বর্নি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান খান, যুবদল নেতা শামিম আহম্মেদ (টুটুল), শেহাব মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেন বর্নি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগকে মানবিক ও সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বর্ষাকালে যাতে পুনরায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বর্নি জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মাদ্রাসায় জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ৩৬০ শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হওয়ার সংবাদ প্রকাশের একদিনের মধ্যেই পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানীর নির্দেশনায় রোববার সকাল থেকে উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। পরে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে জমে থাকা পানি অপসারণের কাজ শুরু করেন তারা।
সম্প্রতি টানা বর্ষণের ফলে মাদ্রাসার মাঠ ও বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে পানি জমে যায়। বিশেষ করে নূরানী বিভাগের শ্রেণিকক্ষে কোমরসমান পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা, বিছানাপত্র ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ পরিস্থিতিতে টানা তিন দিন শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০ জন নূরানী বিভাগের শিক্ষার্থী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা এতিম ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা এখানে আবাসিক ও অনাবাসিক হিসেবে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম. মুক্তার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুর ইসলাম, বর্নি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান খান, যুবদল নেতা শামিম আহম্মেদ (টুটুল), শেহাব মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেন বর্নি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগকে মানবিক ও সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বর্ষাকালে যাতে পুনরায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
