সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের প্রস্তুতির সময় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিরাই থানা পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও জনশান্তি বিনষ্টের আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল আড়াইটার দিকে দিরাই থানায় খবর আসে যে রাজানগর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। খবর পেয়ে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, উভয় পক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে উভয় পক্ষের ৬ জনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন হোসেন আহমদ (৬০), আলী আহমদ (৪৮), জাহাঙ্গীর আলম (৩০), সুমন আহমদ (৩৫), ইয়াছিন তালুকদার (৩৫) এবং আরমান হোসেন সাগর (২০)। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় মামলা রুজু করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। সামাজিক, পারিবারিক কিংবা জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কেউ সংঘর্ষ বা সহিংসতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের প্রস্তুতির সময় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিরাই থানা পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও জনশান্তি বিনষ্টের আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল আড়াইটার দিকে দিরাই থানায় খবর আসে যে রাজানগর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। খবর পেয়ে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, উভয় পক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে উভয় পক্ষের ৬ জনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন হোসেন আহমদ (৬০), আলী আহমদ (৪৮), জাহাঙ্গীর আলম (৩০), সুমন আহমদ (৩৫), ইয়াছিন তালুকদার (৩৫) এবং আরমান হোসেন সাগর (২০)। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় মামলা রুজু করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। সামাজিক, পারিবারিক কিংবা জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কেউ সংঘর্ষ বা সহিংসতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
