রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

তুললেন মুফতি মাছুমি

শিশু সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান

শিশু সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান
ছবি : চেকপোস্ট

মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে দ্বিচারিতা, ধর্মীয় মতপার্থক্য ও ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

‘চুমু দিলে থাপ্পড়; আতঙ্ক এবং দ্বিচারিতার প্রশ্ন?’

নিজের স্ট্যাটাসের শিরোনামে মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি লেখেন, ‘চুমু দিলে থাপ্পড়; আতঙ্ক এবং দ্বিচারিতার প্রশ্ন?’ এতে শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় বিভিন্ন আমল নিয়ে মতপার্থক্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি নবীজি ﷺ-এর নাম শুনে আঙুলে চুমু দেওয়া, মা-বাবা, উস্তাদ ও শায়েখের কদমবুসি, মাজার জিয়ারত, মিলাদের কিয়াম এবং ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে জসনে জুলুসের মতো বিষয় উল্লেখ করেন। এসব ধর্মীয় বিষয়ে যাঁরা আপত্তি তোলেন, তাঁদের অবস্থান কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে প্রশ্নও সামনে আনেন তিনি।

মুফতি মাছুমির বক্তব্যে ধর্মীয় মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড অনুসরণ এবং বিভিন্ন ঘটনায় ন্যায়বিচারের প্রশ্নে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

মাওলানা রঈস উদ্দীনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ

স্ট্যাটাসে গাজীপুরের ইমাম ও খতিব মাওলানা রঈস উদ্দীনের মৃত্যুর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি। তাঁর বক্তব্যে, একটি ঘটনায় প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি অন্য ঘটনায়ও ন্যায়বিচারের দাবি তোলা জরুরি।

এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়া এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

শিশু সুরক্ষা ও নিরপেক্ষ তদন্ত কেন জরুরি?

শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চললেও, ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর প্রতি যেকোনো আচরণের ক্ষেত্রে তার নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা কিংবা কোনো একটি ঘটনার ভিত্তিতে একটি পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা শ্রেণির শিক্ষককে দায়ী করাও সমীচীন নয়।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে অভিযোগের যথাযথ তদন্ত, প্রমাণ যাচাই এবং প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার বিষয়ে ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করাই এ ধরনের ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

#ন্যায়বিচার #শিশু_সুরক্ষা #মুফতি_মোজাম্মেল_হক_মাছুমি

চেকপোস্ট

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


শিশু সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে দ্বিচারিতা, ধর্মীয় মতপার্থক্য ও ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

‘চুমু দিলে থাপ্পড়; আতঙ্ক এবং দ্বিচারিতার প্রশ্ন?’

নিজের স্ট্যাটাসের শিরোনামে মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি লেখেন, ‘চুমু দিলে থাপ্পড়; আতঙ্ক এবং দ্বিচারিতার প্রশ্ন?’ এতে শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় বিভিন্ন আমল নিয়ে মতপার্থক্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি নবীজি ﷺ-এর নাম শুনে আঙুলে চুমু দেওয়া, মা-বাবা, উস্তাদ ও শায়েখের কদমবুসি, মাজার জিয়ারত, মিলাদের কিয়াম এবং ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে জসনে জুলুসের মতো বিষয় উল্লেখ করেন। এসব ধর্মীয় বিষয়ে যাঁরা আপত্তি তোলেন, তাঁদের অবস্থান কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে প্রশ্নও সামনে আনেন তিনি।

মুফতি মাছুমির বক্তব্যে ধর্মীয় মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড অনুসরণ এবং বিভিন্ন ঘটনায় ন্যায়বিচারের প্রশ্নে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

মাওলানা রঈস উদ্দীনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ

স্ট্যাটাসে গাজীপুরের ইমাম ও খতিব মাওলানা রঈস উদ্দীনের মৃত্যুর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মুফতি মোজাম্মেল হক মাছুমি। তাঁর বক্তব্যে, একটি ঘটনায় প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি অন্য ঘটনায়ও ন্যায়বিচারের দাবি তোলা জরুরি।

এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়া এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

শিশু সুরক্ষা ও নিরপেক্ষ তদন্ত কেন জরুরি?

শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চললেও, ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর প্রতি যেকোনো আচরণের ক্ষেত্রে তার নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা কিংবা কোনো একটি ঘটনার ভিত্তিতে একটি পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা শ্রেণির শিক্ষককে দায়ী করাও সমীচীন নয়।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে অভিযোগের যথাযথ তদন্ত, প্রমাণ যাচাই এবং প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার বিষয়ে ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করাই এ ধরনের ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত