নেত্রকোণার মদন উপজেলায় আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বুধবার (৬ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর আসামিকে র্যাবের কাছ থেকে থানায় হস্তান্তর করা হবে। এরপর দ্রুতই তাকে আদালতে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে দুপুরে র্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিং করা হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন।
ভুক্তভোগী কিশোরী একই এলাকার বাসিন্দা এবং পারিবারিকভাবে অসহায় অবস্থায় নানির সঙ্গে বসবাস করছিল। পরে পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এরপর গত ৩০ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বুধবার (৬ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর আসামিকে র্যাবের কাছ থেকে থানায় হস্তান্তর করা হবে। এরপর দ্রুতই তাকে আদালতে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে দুপুরে র্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিং করা হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন।
ভুক্তভোগী কিশোরী একই এলাকার বাসিন্দা এবং পারিবারিকভাবে অসহায় অবস্থায় নানির সঙ্গে বসবাস করছিল। পরে পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এরপর গত ৩০ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
