হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মুড়িয়াউক গ্রামে বাচ্চু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনার জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বাচ্চু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার পর বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে প্রতিপক্ষের কয়েকটি বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হামলায় আল-আমীন, বাবুল মিয়া, জবির মিয়া, জমিলা খাতুন ও কাওছার মিয়ার বাড়িসহ বেশ কয়েকটি পাকা, আধাপাকা ও টিনশেড ঘর ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ঘরবাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি, এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর আগে, বাচ্চু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় গত ২৪ জুন লাখাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন মুড়িয়াউক গ্রামের ফারুক মিয়ার স্ত্রী খাইরুন বিবি। মামলায় জাহাঙ্গীর মিয়াকে প্রধান আসামি করে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২ জুন মুড়িয়াউক গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর গ্রুপ ও বাবুল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সময় বাচ্চু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জুন তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মুড়িয়াউক গ্রামে বাচ্চু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনার জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বাচ্চু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার পর বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে প্রতিপক্ষের কয়েকটি বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হামলায় আল-আমীন, বাবুল মিয়া, জবির মিয়া, জমিলা খাতুন ও কাওছার মিয়ার বাড়িসহ বেশ কয়েকটি পাকা, আধাপাকা ও টিনশেড ঘর ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ঘরবাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি, এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর আগে, বাচ্চু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় গত ২৪ জুন লাখাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন মুড়িয়াউক গ্রামের ফারুক মিয়ার স্ত্রী খাইরুন বিবি। মামলায় জাহাঙ্গীর মিয়াকে প্রধান আসামি করে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২ জুন মুড়িয়াউক গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর গ্রুপ ও বাবুল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সময় বাচ্চু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জুন তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
