দুই দফা দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের আন্দোলনে বিক্ষোভ মিছিল ও সাময়িক সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে ৩০ মিনিটের রোড ব্লক করেন শিক্ষার্থীরা। এতে সিলেটসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, দ্রুত ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দাবি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবাদুর আমিন বলেন, পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। হাসপাতাল চালু না থাকায় শিক্ষার্থীদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ওয়ার্ড ক্লাস করতে যেতে হচ্ছে, এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানও ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থী পারভেজ আহমেদ বলেন, হাসপাতালের ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও শিক্ষক সংকটের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। এতে ভবিষ্যৎ চিকিৎসক তৈরির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী রেহেনা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা সড়ক অবরোধে যেতে বাধ্য হয়েছেন। হাসপাতাল চালু না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
আন্দোলনে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফাত রেজা আকাশ, দ্বিতীয় ব্যাচের ফারজানা আহমেদ মিম ও সাইদুল রহমান সাকিব, তৃতীয় ব্যাচের তামিমা হোসেন ও সানজিদা খান ঐশী, চতুর্থ ব্যাচের ইনহা ইব্রাহিম, পঞ্চম ব্যাচের ফজলে ফারিয়া সিনথিয়া এবং ষষ্ঠ ব্যাচের আকসা চৌধুরী ও রেহেনা খাতুনসহ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দেন।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
দুই দফা দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের আন্দোলনে বিক্ষোভ মিছিল ও সাময়িক সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে ৩০ মিনিটের রোড ব্লক করেন শিক্ষার্থীরা। এতে সিলেটসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, দ্রুত ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দাবি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবাদুর আমিন বলেন, পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। হাসপাতাল চালু না থাকায় শিক্ষার্থীদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ওয়ার্ড ক্লাস করতে যেতে হচ্ছে, এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানও ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থী পারভেজ আহমেদ বলেন, হাসপাতালের ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও শিক্ষক সংকটের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। এতে ভবিষ্যৎ চিকিৎসক তৈরির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী রেহেনা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা সড়ক অবরোধে যেতে বাধ্য হয়েছেন। হাসপাতাল চালু না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
আন্দোলনে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফাত রেজা আকাশ, দ্বিতীয় ব্যাচের ফারজানা আহমেদ মিম ও সাইদুল রহমান সাকিব, তৃতীয় ব্যাচের তামিমা হোসেন ও সানজিদা খান ঐশী, চতুর্থ ব্যাচের ইনহা ইব্রাহিম, পঞ্চম ব্যাচের ফজলে ফারিয়া সিনথিয়া এবং ষষ্ঠ ব্যাচের আকসা চৌধুরী ও রেহেনা খাতুনসহ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দেন।
