রোববার, ৩১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

নৌকায় ভয়াবহ ঘটনা

লাখাইয়ে ফখরুল হত্যা রহস্য! ৪ জন গ্রেপ্তার, ৩৬ ঘণ্টায়ও মেলেনি মরদেহ

লাখাইয়ে ফখরুল হত্যা রহস্য! ৪ জন গ্রেপ্তার, ৩৬ ঘণ্টায়ও মেলেনি মরদেহ
ছবি : চেকপোস্ট

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলায় ফখরুল হত্যার সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পার হলেও এখনো নিখোঁজ ফখরুলের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও রহস্যের সৃষ্টি করেছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, ভরপূর্নি গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন ফখরুল (৩৫) এর নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে প্রথমে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন রাসেল ও বোরহান।

সূত্র আরও জানায়, শনিবার বুল্লা বাজার থেকে সুজাতপুরগামী একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে যাত্রীদের নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। ট্রলারটি বুল্লা ইউনিয়নের বলাকান্দি এলাকায় পৌঁছালে এক পর্যায়ে ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

ঘটনার সময় যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ফখরুলকে নৌকা থেকে পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়। পরে যাত্রীরা খোঁজাখুঁজি করেও তাকে আর উদ্ধার করতে পারেননি এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান।

এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় দুইজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ উপপরিদর্শক মুন্না মিয়ার নিকট তাদের হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার পর লাখাই থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ একটি দল দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার অভিযান চালালেও ফখরুলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে শনিবার দিবাগত রাতে পুলিশের উপপরিদর্শক প্রনয় কুমার সরকার ও এএসআই ওয়াসিমের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে আরও ২ পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন মোতাব্বির ও কাউছার।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ জানান, নিখোঁজ ফখরুলের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহে আসামীদেরকে দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে হবিগঞ্জ জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামীদেরও আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও রহস্য তৈরি হয়েছে। মরদেহ না মেলায় তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

#লাখাই_হত্যা_রহস্য #হবিগঞ্জ_ক্রাইম #নিখোঁজ_ফখরুল

চেকপোস্ট

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


লাখাইয়ে ফখরুল হত্যা রহস্য! ৪ জন গ্রেপ্তার, ৩৬ ঘণ্টায়ও মেলেনি মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলায় ফখরুল হত্যার সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পার হলেও এখনো নিখোঁজ ফখরুলের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও রহস্যের সৃষ্টি করেছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, ভরপূর্নি গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন ফখরুল (৩৫) এর নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে প্রথমে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন রাসেল ও বোরহান।

সূত্র আরও জানায়, শনিবার বুল্লা বাজার থেকে সুজাতপুরগামী একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে যাত্রীদের নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। ট্রলারটি বুল্লা ইউনিয়নের বলাকান্দি এলাকায় পৌঁছালে এক পর্যায়ে ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

ঘটনার সময় যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ফখরুলকে নৌকা থেকে পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়। পরে যাত্রীরা খোঁজাখুঁজি করেও তাকে আর উদ্ধার করতে পারেননি এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান।

এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় দুইজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ উপপরিদর্শক মুন্না মিয়ার নিকট তাদের হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার পর লাখাই থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ একটি দল দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার অভিযান চালালেও ফখরুলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে শনিবার দিবাগত রাতে পুলিশের উপপরিদর্শক প্রনয় কুমার সরকার ও এএসআই ওয়াসিমের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে আরও ২ পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন মোতাব্বির ও কাউছার।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ জানান, নিখোঁজ ফখরুলের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহে আসামীদেরকে দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে হবিগঞ্জ জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামীদেরও আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও রহস্য তৈরি হয়েছে। মরদেহ না মেলায় তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত