রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ০৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিদ্দিক আলী সরকার ও রাসেল বেপারীর মধ্যে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি উত্তেজনায় রূপ নিলে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে, ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে ছিদ্দিক আলী সরকার, তার ভাই ও ছেলে এবং রাসেল বেপারী, নেকমত আলী ও নিজু বেপারী পক্ষের অন্তত ১০-১২ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ০৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিদ্দিক আলী সরকার ও রাসেল বেপারীর মধ্যে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি উত্তেজনায় রূপ নিলে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে, ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে ছিদ্দিক আলী সরকার, তার ভাই ও ছেলে এবং রাসেল বেপারী, নেকমত আলী ও নিজু বেপারী পক্ষের অন্তত ১০-১২ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
